Logo

জাতীয়

যমুনার সামনে থেকে সরলেন আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীরা

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:৪৬

যমুনার সামনে থেকে সরলেন আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীরা

ছবি : বাংলাদেশের খবর

দফায় দফায় লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে থেকে সরে গেছেন আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার পর যমুনা এলাকা ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যেতে বাধ্য হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটকও করা হয়।

আন্দোলনকারীরা বলেন, আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা করতে আসিনি। আমাদের ন্যায্য দাবি জানাতেই এখানে বসেছিলাম। সরকার আমাদের কথা শুনবে— এ বিশ্বাস থেকেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। কিন্তু কোনো আলোচনা ছাড়াই আমাদের ওপর টিয়ারশেল ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, আমরা রাষ্ট্রের কর্মচারী। আজ আমাদের সঙ্গে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে, তাতে খুব অপমানিত বোধ করছি। দাবি জানাতে এলে যদি গ্রেনেড ও লাঠিচার্জের মুখে পড়তে হয়, তাহলে কথা বলার জায়গাটা কোথায়?

এর আগে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনকারীরা যমুনার অভিমুখে মিছিল নিয়ে রওনা হন। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছালে সেখানে প্রথম দফায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তারা। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তখন লাঠিচার্জ করা হয়নি; তবে জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়।

পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে পৌঁছান এবং সড়কে বসে স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার পর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে বিজিবি সদস্যরাও ঘটনাস্থলে আসেন।

প্রথমে পুলিশ আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে তারা সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ অ্যাকশনে যায়। আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে বারবার জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পুলিশি অভিযানের মুখে আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কের ভেতরে ঢুকে পড়েন। সেখানেও পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

দুপুর ১২টার পর পুলিশ ব্যাপকভাবে অভিযান জোরদার করে। এ সময় একাধিক টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন বলে জানা গেছে। দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনা এলাকা পুরোপুরি ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যান। 

এমবি 

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

ঢাকার খবর আন্দোলন

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর