জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা
বাংলাদেশের প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ২১:০৮
ছবি: সংগৃহীত
প্রতিদিন ডিপোর মজুত যাচাই, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদদারি রোধ এবং অতিরিক্ত দাম নিলে শাস্তি নিশ্চিত করাসহ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নয়টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা–সংক্রান্ত এক অনলাইন মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব নির্দেশনা দেন।
সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং সব জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ডিসিদের দেওয়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ নির্দেশনা:
১. প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান।২. ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে বরাদ্দ করা জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা।৩. সব কাস্টমারের (পেট্রোল পাম্প ডিলার, এজেন্সি ডিলার, প্যাকড পয়েন্ট ডিলার ও ডিরেক্ট কাস্টমার) সরবরাহ ও বিতরণ তদারকি করা।৪. পেট্রোল পাম্প বন্ধ হলে কেন পাম্প বন্ধ, তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান করা এবং ডিপোর সঙ্গে তেল সরবরাহের হিসাব ডাবল চেক করা।৫. অবৈধ মজুদদারি রোধ করা।৬. তেলের ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।৭. জ্বালানি তেলের পাচার বন্ধ করা।৮. বেশি দামে যেন জ্বালানি তেল বিক্রি না করা হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা এবং অপরাধ সংঘটিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা।৯. জেলা পর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা।
এএস/

