ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ১২ মে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ ১১তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবনে পৌনে তিন ঘণ্টা ধরে এ নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইসি সচিব বলেন, আগামী ৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা হবে। আর নারী আসনে ভোট হবে ১২ মে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন: নারী আসনের বণ্টনে বিএনপি পাচ্ছে ৩৬টি , বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি পাচ্ছে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১টি আসন।
ইসি সচিব জানান, এবার বিএনপি জোটের সাথে তিনটি রাজনৈতিক দল জোটবদ্ধ হয়ে অংশগ্রহণ করছে, একটা হচ্ছে জুনায়েদ সাকি সাহেব, নূর সাহেব এবং আন্দালিব পার্থ সাহেব। জামায়াত জোটে রয়েছে এনসিপি ও খেলাফত আন্দোলন। আর রুমিন ফারহানা ম্যাডাম উনি জোটের হয়ে যাবেন না, এটা বলেছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট হয়। শেরপুর-৩ আসনে একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়া ভোট স্থগিত থাকে। এছাড়া বগুড়া-৬ আসন তারেক রহমান ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচন হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনে আইনি জটিলতায় থাকায় ফল প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন।
বিএনপির সংসদে প্রতিনিধি আছে ২০৮জন, এনসিপি’র ছয় জন, জামায়াতের ৬৮জন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আসন পেয়েছে ২ টি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ আসন পেয়েছে ১ টি, গণঅধিকার পরিষদ আসন পেয়েছে ১ টি। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১ আসনে জয় লাভ করেছে।
গণসংহতি আন্দোলন পেয়েছে ১ আসন। খেলাফত মজলিস পেয়েছ ১ টি আসন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছে ৭টি আসন।
আইন অনুযায়ী, কোনো দলের সংসদে আসন সংখ্যাকে ৫০ দিয়ে গুণ করে ৩০০ দিয়ে ভাগ করলে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়।
এই বণ্টন অনুযায়ী, সংরক্ষিত আসনের ভোট ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে এখন থেকে প্রার্থীদের কার্যক্রম শুরু হবে।
বাংলাদেশের খবর/এইচআর

