Logo

জাতীয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বানিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : শিক্ষামন্ত্রী

Icon

শিক্ষা ডেস্ক :

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১৯:৩৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বানিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : শিক্ষামন্ত্রী

সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাতি অর্জন করেছে, তা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বানিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‌শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বানিয়েছিলেন এবং শিক্ষকদের বিদেশে ছুটি কাটানোর বদলে এখানে পড়ানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়ার সময় ড. ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে ১৯৯২ প্রাইভেট অ্যাক্ট দিয়ে দেশে ১১৬টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত উচ্চশিক্ষার রূপান্তর বিষয়ক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ট্র্যান্সফর্মিং হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন করেছিলেন এবং বেগম খালেদা জিয়াও শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। জিয়া পরিবারে এমন কোনো নেতা নেই, যিনি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও একইভাবে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য।

এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং নিড-বেজড এডুকেশন খুব গুরুত্বের সঙ্গে প্রয়োজন। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি লিংকেজে আমাদের যে গ্যাপ রয়েছে— তা দূর করতে আজকের আলোচনার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসা বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণাপ্রাপ্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারিকুলাম ও লার্নিং আউটকামস নিয়ে কাজ চলছে, যেন আগামী প্রজন্মকে সত্যিকার অর্থে শিক্ষাদান করা যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।

উদ্বোধন পর্বের পর পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসব অধিবেশনে গ্রাজুয়েটদের কর্মসংযোগ যোগ্যতা, সফট স্কিল উন্নয়ন ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা; শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা; ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজন; শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং আন্তর্জাতিকীকরণ; গভর্ন্যন্স, মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা ও সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়।

এদিন বিকেলে কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম বদরুজ্জামান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং স্টেট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান।

বাংলাদেশেরখবর/আরকে

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন