বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান
কারখানা ও বাফার গুদামসমূহে পর্যাপ্ত ইউরিয়া সারের মজুদ রয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৫৩
ছবি: সংগৃহীত
বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ড. মাহমুদুর রহমান সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নীলফামারী, মহেন্দ্রনগর (লালমনিরহাট) ও কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত বিসিআইসি’র সারের গুদাম পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপস্থিতিতে গুদামে মজুদকৃত সার খামালভিত্তিক গণনা করে মজুদকৃত সারের সঠিকতা পায়। চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত দেশের চাহিদাকৃত ইউরিয়া সার গুদামের মজুদ সার দিয়েই পূরণ করা সম্ভব।
এ ছাড়া, স্থানীয় তিনটি সার কারখানায় প্রতিদিন পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন হচ্ছে এবং বিদেশ হতে ইউরিয়া সার আমদানি চলমান রয়েছে, যা দিয়ে আগামী পিক সিজনে সারের চাহিদা পূরণ করা হবে। দেশে ইউরিয়া সারের পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।
পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান, বিসিআইসি কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপ-পরিচালক, সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কৃষি অফিসার, বিএফএ’র নেতৃবৃন্দ ও ডিলারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
মতবিনিময় সভায় চেয়ারম্যান, বিসিআইসি জানান, দেশে পর্যাপ্ত ইউরিয়া সারের মজুদ রয়েছে। চাহিদানুযায়ী ডিলারদেরকে বিসিআইসি’র কারখানা ও বাফার গুদাম হতে যথাসময়ে সার সরবরাহ করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন সারের কৃত্রিম সংকট, সারের মূল্য বৃদ্ধি এবং অপপ্রচার/গুজব ছড়াতে না পারে সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের মনিটরিং বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।
আরও জানানো হয়, ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহের লক্ষ্যে প্রতিটি কারখানা ও বাফার গুদামে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। শুক্র/শনিবারসহ সপ্তাহে ৭ (সাত) দিনই গুদাম হতে সার বিতরণ কার্যক্রম চলমান রাখা হয়েছে যা বিসিআইসি হতে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে চেয়ারম্যান, বিসিআইসি’র সাথে পরিচালক (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) মু: খায়রুজ্জামান ও ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) মো. মঞ্জুর রেজা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

