• মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৮

রাজনীতি

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে আজকে বাংলাদেশের এত উন্নয়ন ও অগ্রগতি: শিক্ষামন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

মহিউদ্দিন আল আজাদ, চাঁদপুর প্রতিনিধি: শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে আজকে বাংলাদেশের এত উন্নয়ন ও অগ্রগতি। কিন্তু দেশের যারা গুজব ছড়াচ্ছে, দেশকে অস্থিতিশীল করবার চেষ্টা করছে এবং আবারও নাশকতা করবার পায়তারা করছে তাদেরকে রুখে দাঁড়াতে হবে।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা বিজয় মেলা মঞ্চ থেকে সেই প্রত্যয় ঘোষণা করতে চাই। যে লক্ষ্য নিয়ে মুক্তিযু্দ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ৩০ লাখ মানুষ অকাতরে প্রাণ দিল, এত নারী নির্যাতিত হল এবং দেশটা ধ্বংস্তুপে পরিণত হল। সে লক্ষ্য অর্জনের পথ থেকে আমরা কখনো বিচ্যুত হব না।
দীপু মনি বলেন, যার নেতৃত্বে দেশ পরিচালিত হচ্ছে, যিনি মায়ের মমতায় দেশটিকে পরিচালনা করছেন, যার মনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা, এদেশের প্রতিটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা। যিনি দারিদ্র্য বিমোচনে বিশে^র সফল একজন রাষ্ট্র নায়ক। যিনি মানুষের এবং নারীর ক্ষমতায়নে, শিক্ষায় ও স্বাস্থ্যের অগ্রগতিতে, শিল্পায়নে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে, দুর্যোগ মোকাবেলায়, বৈশি^ক উষ্ণায়ন মোকাবেলায় বিশে^র সফলতম একজন রাষ্ট্র নায়ক। তার হাতে আছে দেশ। অতএব আমাদের ভয়ের কিছু নেই।
তিনি বলেন, আমাদের অতীতের গৌরবগাঁথা যেমন মনে রাখব, তেমনি অতীতে কার কি অপকর্ম ছিল, তাও যেন আমরা মনে রাখি। কোন অপশক্তি বার বার আমাদের পিছু টেনে ধরেছে, কারা আমাদের অগ্রগতিকে বার বার বাঁধাগ্রস্ত করে, কারা আমাদের মানুষের ওপর অত্যাচার নির্যাতন করেছে আমাদের তাদেরকে চিনতে হবে এবং জানতে হবে। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাদেরকে প্রয়োজনে রুখে দাঁড়াতে হবে এবং আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে হবে।
মেলা কমিটির চেয়ারম্যান বীর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম.এ.ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওচমান গণি পাটওয়ারী।
মেলার মহাসচিব হারুন আল রশিদের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল।
এর আগে স্থানীয় শিল্পীদের শত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীসহ অতিথিবৃন্দ জাতীয় পতাকা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা উত্তোলন করেন। পরে বেলুন ও ফেষ্টুন উড়িয়ে মেলার শুভ সূচনা করেন। এছাড়া মন্ত্রী অতিথিদেরকে নিয়ে মেলার স্থান পাওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংরক্ষিত স্মৃতি পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads