• শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৮

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৬ ডিসেম্বর ২০২২

কক্সবাজার প্রতিনিধি:
আগামি ৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসবেন দেশের পর্যটন নগরখ্যাত কক্সবাজারে। ওই দিন কক্সবাজারে অনুষ্ঠিতব্য ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ ২০২২ এ যোগদান ছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন তিনি। শহরের সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই জনসভা।  ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতিও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। জেলার সব স্থানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু প্রধানমন্ত্রীর আগমন।
দেশের চলমান রাজনৈতিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গত ১ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এর সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য যাতায়াতের স্থানে জোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন। জনসভাস্থল ও এর আশেপাশেও তাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ফলে জনসভায় আগত দলীয় নেতা—কমীর্দের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পার হয়েই সভায় যোগদান করতে হবে।
এদিকে, গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজার শহরের বড়ো একটি অংশ তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের নেতা—কমীর্রা তাদের নেত্রীকে স্বাগত জানাতেই নিজেদের অর্থায়নে এই কাজ করছেন।
এছাড়াও জেলাপ্রশাসনসহ সরকারি দপ্তরগুলোও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জেলায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বিশেষ করে মাতারবাড়ি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দোহাজারি—কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প, খুরুশকুল আশ্রয়ন প্রকল্পসহ বর্তমান সরকারের আমলে বাস্তবায়িত ও বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরছে দপ্তরগুলো।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন ধরেই শহরের প্রধান সড়কটি যাতায়াতের প্রায় অযোগ্য ছিলো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে সড়কের বিশাল একটি অংশ রকেট গতিতে সংস্কার করা হয়েছে। এছাড়াও গত ১০ দিনের মধ্যে শহর এবং এর আশপাশের এলাকায় লোডশেডিং নেই বললেই চলে।
বাচ্চু নামে শহরের বার্মিজ মার্কেট এলাকার একজন পানের দোকানদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী আসছেন তাই আমরা অনেক খুশি। এভাবে প্রধানমন্ত্রী যদি ঘনঘন কক্সবাজার আসেন তাহলে শহরের চেহারাই পাল্টে যাবে। জেলার কয়েকটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ করে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা যাতে জনসমুদ্রে রূপ নেয় সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন তাঁরা। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীও বললেন একই কথা। বাংলাদেশের খবরকে তিনি বলেন, ৭ ডিসেম্বর জনসভায় ৩ লাখের অধিক মানুষের অংশগ্রহণ আশা করছি। শেখ হাসিনা যেহেতু শুধু আওয়ামী লীগ প্রধান নন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও। তাই সভায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। দলীয় নেতা—কমীর্দের প্রতি আমার অনুরোধ আপনারা শান্তি—শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads