• বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮
ভ্রমণপিপাসুদের আনাগোনা চলনবিলে

ছবি: বাংলাদেশের খবর

ভ্রমণ

ভ্রমণপিপাসুদের আনাগোনা চলনবিলে

  • প্রকাশিত ১৯ জুলাই ২০২১

আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর (নাটোর)

মহামারি করোনাকে উপেক্ষা করে দেশের ঐতিহাসিক চলনবিল অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে স্থানীয় ও বহিরাগত ভ্রমণপিপাসুদের আনাগোনা বাড়ছে। সেইসঙ্গে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা জেলাজুড়ে বিস্তৃত এ চলনবিলাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র নাটোরের গুরুদাসপুরে আসন্ন ঈদুল আজহার আনন্দ বইছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমের মতো এবারো চলনবিল গর্ভে অবস্থিত খুবজীপুর ইউনিয়ের বিলসা গ্রামের ‘মা জননী সেতু’, চলনবিল জাদুঘর, সিংড়ার ঘাসি দেওয়ান পীরের মাজার ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশের কুন্দইল ব্রিজ এলাকায় দূর-দূরান্তের নানা শ্রেণিপেশার মানুষ ছুটে আসছেন।

চলনবিল ঘুরে দেখা গেছে, পড়ন্ত বিকেলে ওই প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে আনন্দ উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীরা মোটরসাইকেলে, প্রাইভেট কারে, সিএনজি, রিকশাভ্যান ও নৌকায় চড়ে চলনবিলের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলেছেন। বিলসা থেকে তাড়াশের কুন্দইল ব্রিজ পর্যন্ত ডুবো সড়কে নেমে ঢেউয়ের সঙ্গে খেলা করছেন অনেক। চলনবিলের থৈ থৈ পানিতে গা ভিজিয়ে অনেকে প্রাণ ছেড়ে নিঃশ্বাস নিচ্ছেন। মনোমুগ্ধকর মিষ্টি বাতাস, মেঘের ছুটে চলা ও পানির ওপর ঢেউয়ের দৃশ্য উপভোগ করছেন ভ্রমণপিপাসুরা। প্রকৃতির এ লীলাভূমি এখন বর্ষার পানিতে টইটম্বুর। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে চলনবিলের অপরুপ প্রকৃতি। উৎসাহ উদ্দীপনায় অনেকেই যন্ত্রচালিত নৌকা ও স্পিডবোট নিয়ে চলনবিলের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখছেন। এছাড়া চলনবিলের বুক চিড়ে বয়ে যাওয়া বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের ৯নং ও ১০নং ব্রিজ এলাকায় চলনবিলের সৌন্দর্য দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলন বলেন, গুরুদাসপুরের চাঁচকৈড় গুমানী নদী থেকে খুবজীপুর-বিলসা হয়ে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিলসা বানগঙ্গা নদীতে দৃষ্টিনন্দিত দীর্ঘ ‘মা জননী সেতু’ নির্মিত হওয়ার পর তাড়াশের কুন্দইল বাজার পূর্বপাশে দীর্ঘ ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে মৈত্রী সড়কটি গুরুত্ববহ ইতিহাস রচনা করা হয়। আজ চলনবিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থী আসছেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads