• মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

বিদেশ

নাইজেরিয়ায় বোকো হারামের হাত থেকে ১৪৯ নারী-শিশু উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১০ এপ্রিল ২০১৮

জঙ্গি গোষ্ঠী বোকো হারামের হাত থেকে ১৪৯ নারী ও শিশুকে উদ্ধার করেছে নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনী। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। খবর বিবিসি। 

স্থানীয় সময় রোববার এক বিবৃতিতে সেনা মুখপাত্র ওনেমা নোয়াচুকু বলেন, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৫৪ জন নারী এবং ৯৫ জন শিশু। উদ্ধারের পর তাদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইয়েরিমারি কুরি এলাকায় জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালানোর সময় এসব নারী ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় তিন জঙ্গি নিহত হয়। আরো পাঁচ সন্দেহভাজন জঙ্গিকে আটক করা হয়। তবে ওই নারী এবং শিশুদের কোন এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়েছিল তা উল্লেখ করা হয়নি। এর আগে ২০১৪ সালের এপ্রিলে চিবোক শহর থেকে ২৭৬ স্কুল শিক্ষার্থীতে অপহরণ করে বোকো হারাম। তাদের অনেককেই উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো প্রায় ১শ’ জনের কোনো হদিস নেই।

 

সূর্যের তাপে হবে

সুপেয় পানি

ডেস্ক রিপোর্ট

সূর্যের তাপকে কাজে লাগিয়ে বাষ্পীয় পদ্ধতিতে সুপেয় পানিতে রূপান্তরিত করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে ফ্রান্সের একটি প্রতিষ্ঠান। উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি কাজে লাগানো হলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে পানির সঙ্কট অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব। খবর ইন্টারনেট।

বিশ্বব্যাপী বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট ক্রমেই বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের অনেকাংশে মরুকরণ ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এ সঙ্কট আরো ঘনীভূত হবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে এমন দুঃসংবাদের মাঝেও আশা আলো দেখিয়েছে ফরাসি কোম্পানি মেরিন ট্যাঙ্ক।

পানি নিয়ে বাধতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ- অনেক আগে থেকেই এটা শুনে আসছে সবাই। দক্ষিণ আফ্রিকায় সম্প্রতি পানির জন্য তীব্র হাহাকার দেখা গেছে। সেখানে একটু পানি পেতে হুড়োহুড়ি নিত্যনৈমত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া এশিয়ার বেশকিছু দেশে পানির সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে সুপেয় পানির অভাব দেখা দিয়েছে সব থেকে বেশি। এর সমাধানেই কাজ করছে মেরিন ট্যাঙ্ক। গোলকের সাহায্যে বিশেষ বাষ্প পদ্ধতিতে সমুদ্রের নোনা পানিকে পান করার উপযোগী করেছে তারা।

মেরিন ট্যাঙ্কের সিইও থিয়েরি কার্লিন বলেন, আবুধাবিতে ইতোমধ্যে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুপেয় পানির চাহিদা মেটানোর কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার পানি সঙ্কট সমাধানে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে যাচ্ছি। এ পদ্ধতিতে খরচ অনেক কম হওয়ায় বিশ্বের অন্যান্য দেশও এ প্রযুক্তিকে কাজে লাগাবে বলেই আমাদের ধারণা। যদি এটা সম্ভব হয় তাহলে বিশ্বে সুপেয় পানির আর কোনো সঙ্কট হবে না।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads