• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
যৌতুকের মিথ্যা মামলায় পাঁচ বছর জেল

প্রায় প্রতিদিনই বজ্রপাতে বহু মানুষের মৃত্যু হচ্ছে

প্রতীকী ছবি

দুর্ঘটনা

বজ্রপাতে ঘের মালিকসহ ৬ জনের মৃত্যু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৬ জুন ২০১৮

সাতক্ষীরায় বজ্রপাতে ঘের মালিক এবং দুই নারীসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে দুই জেলের মৃত্যু হয়। বজ্রপাতের এসব দুর্ঘটনায় আরো ১১ জন আহত হয়েছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

সাতক্ষীরা : জেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ঘের মালিক এবং দুই নারীসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আটজন। গতকাল সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারি ও ভোমরা ইউনিয়নের তেঘোরি গ্রামে এবং শ্যামনগর উপজেলার গুমনতলী গ্রামে বজ্রপাতে এসব নিহত ও আহতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারি গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে সাজু হোসেন, ভোমরা ইউনিয়নের তেঘোরি গ্রামের আবুল খায়ের (২৩), শ্যামনগর উপজেলার গুমনতলী গ্রামের শ্রীকান্ত দাশের স্ত্রী জোৎস্না মণ্ডল (৩৬) ও মুজিদ মোল্লার স্ত্রী জিন্নাহতুননেছা (৩৩)। আহতরা হলেন উপজেলার গুমনতলী গ্রামের আনিছুর রহমান (২৭), ঝরনা পারভীন (৩৪), আনোয়ারা খাতুন (৩১), কুলছুম বিবি (৩৩), আনোয়ারা বিবি (৩৭), রহিমা খাতুন (৩২), ফুলবাসি মণ্ডল (৩৫) ও জানু বিবি (৩৬)।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মারুফ আহমেদ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল সকাল থেকে ৩-৪ জন কর্মচারী নিয়ে বৈকারি গ্রামের সাজু তার নিজস্ব মৎস্য ঘেরে কাজ করছিলেন। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি তার কর্মচারীদের নিয়ে বাড়ি ফিরে আসছিলেন। পথিমধ্যে আকস্মিক বজ্রপাতে ঘের মালিক সাজু হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং অন্য দুজন আহত হন। এদিকে শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ আবদুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গুমনতলী এক মৎস্য ঘেরে ১০-১২ জন নারী শ্রমিক কাজ করছিল। এ সময় বজ্রপাত হলে ওই দুজন নারীর মৃত্যু এবং ওই আটজন নারী-পুরুষ আহত হন। আহতদের গ্রাম্য চিকিৎসকদের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

নেত্রকোনা : জেলার মোহনগঞ্জে মাছ শিকারে গিয়ে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু এবং তিনজন আহত হয়েছেন। গত রোববার রাতে উপজেলার গাগলাজুড় ইউনিয়নের করচাপুরের ডিঙ্গাপোতা হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন করচাপুর দাসপাড়া গ্রামের মৃত জহুর আলীর ছেলে মতিয়র রহমান (৪০) ও সক্কু মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (৩০)। আহতরা হলেন একই গ্রামের জিয়াউর রহমান (৩২), সুলতান মিয়া (৩৬) ও লিমন মিয়া (২২)। তাদের মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মোহনগঞ্জ থানার ওসি আনসারী জিন্নাৎ আলী জানান, ওই ৫ জেলে একই নৌকায় করচাপুর গ্রামের সামনের হাওরে মাছ ধরতে যায়। রাত ৯টার দিকে বৃষ্টিপাতের সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads