• শনিবার, ৬ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads

ছোট প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য

ছবি: সংরক্ষিত

জীব ও পরিবেশ

বিপন্ন প্রজাতির ছোট মাছের কৃত্রিম প্রজনন

  • কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৫ মে ২০১৮

বিপন্ন দেশি ছোট প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য পেয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শ্যামল কুমার পাল ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা ২০১৭ সালের আগস্টে বিপন্ন প্রজাতির রানি/দাড়ি/বৌরানি, গুতুম ও টেংরা মাছের কৃত্রিম প্রজননে গবেষণা শুরু করেন। ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রজেক্ট-২ (এনএটিপি) প্রকল্পের অর্থায়নে কৃত্রিম প্রজনন গবেষণা শুরু হয়।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা চেয়ারম্যান (মৎস্য চাষে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত) সামছুউদ্দিন কালুর বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও খামারে কৃত্রিম প্রজননের এ কাজ শুরু করে গবেষক দল। বৃহত্তর নোয়াখালী, ময়মনসিংহ ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে মা মাছ সংগ্রহ করেন তারা। দীর্ঘ সময় পরিচর্যা করে মাছগুলো কৃত্রিম প্রজননের জন্য উপযুক্ত করে তোলা হয়। প্রস্তুতি শেষে গত ২৮ এপ্রিল মাছে বিভিন্ন উদ্দীপক হরমোন প্রয়োগ করা হয়। এক দিন পর এসব মাছে (গুতুম ও টেংরা) কৃত্রিম প্রজননে সফলতা আসে।

গবেষক দল মাছের প্রজনন ও রেণু পোনার লালন-পালন প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে। ওই গবেষণা প্রকল্পে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দিচ্ছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ভক্ত সুপ্রতিম সরকার ও বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও খামারের টেকনিশিয়ান উত্তম বসু। সফলতার আশা করছেন গবেষকরা।

বিসমিল্লাহ মৎস্য বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও খামারের স্বত্বাধিকারী এবং উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুউদ্দিন কালু গবেষক দলের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, অবাধে সার, কীটনাশকসহ নানা কারণে দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু ছোট মাছ বিলুপ্ত হতে বসেছে। প্রয়োজন কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে রেণু পোনা উৎপাদন ও চাষপদ্ধতি বাড়ানো। গবেষক দলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, মাছ উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে বাংলাদেশ। এ অর্জন ধরে রাখতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছের উৎপাদন আরো বাড়াতে হবে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads