• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ১ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
পর্যটন নগরী কক্সবাজরে বাঁধভাঙ্গা উল্লাস

কলাতলি সমুদ্র সৈকত, কক্সবাজার

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

পর্যটন নগরী কক্সবাজরে বাঁধভাঙ্গা উল্লাস

  • কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৪ আগস্ট ২০১৮

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের সী ইন পয়েন্টের দৃশ্য। অন্যান্য সময় দুপুরে সৈকতে কোন মানুষ না থাকলেও এখন পর্যটকে ঠাঁসা। সমুদ্র স্নানের পাশাপাশি নানাভাবে উল্লাসে মেতে উঠেছেন তারা।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতি বছর ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদে আগমনের মাত্রা বাড়ে। এই বাড়তি চাপ সামাল দিতে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে পর্যটন পুলিশ।

শুক্রবার সকাল থেকেই সমুদ্র প্রেমীদের ভিড় বাড়ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সমুদ্রপ্রেমী মানুষের সংখ্যা। সমুদ্রের অবিরাম ঢেউয়ের তালে সাগরের নোনা জলে ভেসে বেড়াচ্ছে ইটকাঠের শহরের যান্ত্রিক মানুষগুলো।

এদিকে ঈদের ছুটির আনন্দকে কয়েকগুন বাড়াতে ঈদের দিন থেকেই কক্সবাজরে পর্যটকদের ভিড় দেখাগেছে। ঈদের দ্বিতীয় দিনে প্রায় ৫০ হাজার পর্যটক কক্সবাজারে এসেছে। ধীরে ধীরে এর সংখ্যা বাড়ে আজ প্রায় দুই লাখ পর্যটক রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার হোটেল মোটেল ও রেস্তোরা মালিক সমিতির মুখপাত্র কলিম উল্লাহ বলেন, শুক্র ও শনিবার কক্সবাজারের সমস্ত হোটেল বুকিং হয়ে গেছে। হোটেলের রুম কোথাও খালি নাই। এই দুইদিন কমপক্ষে দুই লাখ পর্যটক অবস্থান করবে কক্সবাজারে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সমুদ্র শহর কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের ছিনতাই, ইভটিজিং, হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া রোধসহ শহরের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে জন্য বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাছড়া র‌্যাব, পুলিশের ৪৫০ জন সদস্য কাজ করছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত দুটি টিম পর্যটন জোনে সার্বক্ষণিক রয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads