• শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬
ads
বামনায় পড়ানো হচ্ছে শিশু ও গণশিক্ষার বই

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

বামনায় পড়ানো হচ্ছে শিশু ও গণশিক্ষার বই

  • বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৬ অক্টোবর ২০১৮

বামনার রামনা ইউপির ঘোপখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রাক-প্রাথমিকে বহিরাগত শিক্ষক দিয়ে পাঠদানের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় এক শিক্ষার্থীর বাবা প্রধান শিক্ষকের কাছে অনেকবার মৌখিক অভিযোগ করলেও প্রতিকার মেলেনি।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে হাসিব হোসেন নামে মক্তবের এক শিক্ষক দিয়ে পাঠদান করানো হচ্ছে। যিনি ওই মক্তবের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেনের সহযোগিতায় শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের বই এনে শিশুদের পড়ানো হচ্ছে। এ ছাড়া ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মসজিদভিত্তিক পাঠাগারে ছাত্র সঙ্কটের কারণে তাদের অন্তর্ভুক্ত করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

শিক্ষা অফিস ও সূত্রে জানা গেছে, শুধু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা প্রাক-প্রাথমিকে শিশুদের পাঠদান করাতে পারবেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক ২০১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য প্রণীত বই পড়ানোর নির্দেশনা রয়েছে। অথচ এসব বই না পড়িয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বই পড়ানো হচ্ছে। পূর্ব বলইবুনিয়া গ্রামের অভিভাবক শহিদুল ইসলাম জানান, সিলেবাস বাদ দিয়ে তারা মক্তবের মসজিদভিত্তিক পাঠাগারের বই পড়ান। যা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়ম বহির্ভূত। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হাসিব নিজেকে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক দাবি করে বলেন, শিক্ষক সঙ্কটের কারণে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে পাঠদান করাচ্ছি। তবে ওই কার্যক্রমের বই পড়ানোর নিয়ম তার জানা নেই। মসজিদভিত্তিক পাঠাগারের সুপার কবীর হোসেন ওই বইটি শিশুদের পড়াতে বলেছেন।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষক সঙ্কটের জন্য তাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অম্বরিশ চন্দ্র সরকার বলেন, প্রাক-প্রাথমিক শাখায় নির্ধারিত শিক্ষক ছাড়া কারো পাঠদানের অনুমতি নেই।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads