• বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
ads
লিটনের ডবল, আফসোস সাদমানের

ডবল সিঞ্চুরির পর অভিনন্দনের জবাব লিটন দাসের

ছবি : বাংলাদেশের খবর

ক্রিকেট

লিটনের ডবল, আফসোস সাদমানের

জুনায়েদ ও জিয়ার সেঞ্চুরি

  • স্পোর্টস রিপোর্টার
  • প্রকাশিত ১১ অক্টোবর ২০১৮

মাত্র ১৪ রানের জন্য পাখির চোখ করেছিলেন। তাতেই পূরণ হতো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম ডবল সেঞ্চুরির স্বপ্ন। কিন্তু বিধিবাম, করতে পারলেন মাত্র ৩ রান। ১৮৯ রানে আউট। ব্যর্থ মনোরথে ফিরতে হলো ঢাকা মেট্রোর সাদমান ইসলাম অনিককে। হলো না দ্বিশতকের উচ্ছ্বাসে ভেসে যাওয়া। তবে একই দিন ডবল সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন লিটন কুমার দাস। রংপুরের হয়ে ২০৩ রানে তিনি ফিরলেন রাজ্যের স্বস্তি নিয়ে। জাতীয় ক্রিকেট লিগে গতকাল দুজনের আনন্দ-বেদনা যেন একাকার হয়ে গিয়েছিল। সঙ্গে ছিল বৈরী আবহাওয়ার উৎপাত। তার পরও তৃতীয় দিন সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন জুনায়েদ সিদ্দিকী ও জিয়াউর রহমান।

রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে রংপুর বিভাগ অলআউট হয় ১৫১ রানে। জবাবে তিন সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ৫৮৯ রানে ডিক্লেয়ার দেয় রাজশাহী। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দুই উইকেটে ৩১৯ রানে দিন শেষ করেছে রংপুর। এখনো রাজশাহীর চেয়ে ১১৯ রানে পিছিয়ে রংপুর। রাজশাহীর হয়ে দ্বিতীয় দিন সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন শান্ত ও মিজানুর। তবে গতকাল সেঞ্চুরি তুলে নেন জুনায়েদ সিদ্দিকীও। অপরাজিত থাকেন ১০০ রানে। ফরহাদ ৬২, অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম ৫৫, সাব্বির অপরাজিত ১৫ রান করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুরকে একাই টেনেছেন লিটন দাস। জাহিদ (৩৫) বিদায় নিলেও মাহমুদুল হাসানকে নিয়ে রানের গতি বাড়াতে থাকেন লিটন। একপর্যায়ে ঝড়ো সেঞ্চুরি, পরে ধরা দেয় ডবল সেঞ্চুরিও। ১৪২ বলে ৩২ চার ও ৪ ছক্কায় ২০৩ রান করে ফেরেন লিটন। মাহমুদুল ৭২ ও সাজেদুল ইসলাম ২ রানে অপরাজিত আছেন।

দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ফতুল্লায় বেদনা আর আফসোসে পুড়েছেন ঢাকা মেট্রোর সাদমান ইসলাম। আগের দিন ১৮৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। তৃতীয় দিন চোখের সামনে হাতছানি দিচ্ছিল দ্বিশতকের। কিন্তু সব বিফলে গেছে। নাজমুল ইসলামের বলে শুভাগতর ক্যাচ আটকে দেয় সাদমানকে। সাজঘরে তিনি ফেরেন ১৮৯ রান করে। ৩২৬ বলের ইনিংসে তিনি হাঁকিয়েছেন ২১টি চার ও একটি ছক্কা। দ্বিতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ৩১২ রান ছিল ঢাকা মেট্রোর। তৃতীয় দিন দলটি অলআউট ৩৮৭ রানে। ঢাকা বিভাগের হয়ে চার উইকেট নেন সালাউদ্দিন সাকি। শাহাদাত ও নাজমুল দুটি, শুভাগত ও মোশাররফ একটি করে উইকেট লাভ করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৫০ রান করেছে ঢাকা বিভাগ। রনি তালুকদার ৪ রানে আউট। আবদুল মজিদ (১৮) ও সাইফ হাসান (২৭) রয়েছেন অপরাজিত। সব মিলিয়ে ঢাকা বিভাগ এখনো ঢাকা মেট্রোর চেয়ে ১৩১ রানে পিছিয়ে। আজ ম্যাচের শেষ দিন কী ঘটবে তা-ই দেখার।

অন্যদিকে প্রথম স্তরের ম্যাচে খুলনা ও বরিশাল এগোচ্ছে ড্রয়ের দিকে। বরিশালের করা ২৯৯ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে খুলনার সংগ্রহ সাত উইকেটে ৩৪৯ রান। ৫০ রানের লিড খুলনার। দ্বিতীয় দিন শেষে খুলনার সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ১৯৯ রান। দ্বিতীয় দিন বৃষ্টির বাগড়ায় খেলাই হয়েছে ৪১.১ ওভার। আগের দিন ৪৬ রানে অপরাজিত থাকা জিয়াউর রহমান তুলে নিয়েছেন দারুণ সেঞ্চুরি। ২৪৬ বলে ১১২ রান করে ফেরেন তিনি। অন্যদিকে ৮১ রানে অপরাজিত আছেন আফিফ হোসেন।

কক্সবাজারে বৃষ্টির কারণে টানা দুই দিনের মতো মাঠে গড়ায়নি খেলা। আজ ম্যাচের চতুর্থ ও শেষ দিন। প্রথম দিন ৯ উইকেটে ২৮২ রান করেছিল চট্টগ্রাম। সিলেট ও চট্টগ্রামের এই ম্যাচ নিশ্চিত ড্র হচ্ছে, তা বলাই যায়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads