• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
কুশলবিনিময়ে লিটন-বুলবুল

আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল

সংরক্ষিত ছবি

নির্বাচন

রাসিক নির্বাচন

কুশলবিনিময়ে লিটন-বুলবুল

  • রাজশাহী ব্যুরো
  • প্রকাশিত ১০ জুলাই ২০১৮

আসন্ন রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল সোমবার অনানুষ্ঠানিক প্রচারে সময় কাটিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশলবিনিময় ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারা।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন গতকাল সবজি, মাছ, মাংস, মুরগি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নগরীর লক্ষ্মীপুর কাঁচাবাজার এলাকায় এ কুশলবিনিময় করেন তিনি।

এদিকে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন রাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্য সহকারীরা এবং জেলা দলিল লেখক সমিতি। গতকাল পৃথক দুটি মতবিনিময় সভায় তারা এ অঙ্গীকার করেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর উপশহরের খায়রুজ্জামান লিটনের বাসার পাশে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন রাসিকের স্বাস্থ্য সহকারীরা। দুপুর ১টার দিকে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মহিদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন সমিতির সহসভাপতি ও গোদাগাড়ী উপজেলার আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

এসব সভায় খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, গত পাঁচ বছরে রাজশাহীর কোনো উন্নয়ন তো হয়নি, বরং সিটি করপোরেশন প্রায় ৮০ কোটি টাকার দেনায় পড়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনের সুনাম ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে। সেবার মান বৃদ্ধি করা হবে।

অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল গতকাল দুপুরে তেরখাদিয়া মার্কেটে ক্রেতা এবং ব্যবসাীদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। তিনি প্রতিটি দোকানে যান এবং দোয়া ও ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম সমাপ্ত ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতারা। কুশলবিনিময়ের সময় তিনি বলেন, আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে রাজশাহী সিটিকে বিশ্বের ১ নম্বর সিটি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

নগরীর বেকার যুবক-যুবতীতের কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে বুলবুল বলেন, ইতোমধ্যে গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি, হেলদি সিটি ও এডুকেশন সিটি এবং শান্তির শহর হিসেবে তিনি এই সিটি করপোরেশনকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং অনেক কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আগামীতে আরো ১৪টি নতুন রাস্তা করা হবে। যাতে এই সুন্দর সিটি আজীবন সুন্দর ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads