• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
ইভিএমের ব্যবহার রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনের ওপর: সিইসি

সকালে ইভিএম ব্যবহার-সংক্রান্ত ইসি কর্মকর্তাদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিইসি কে. এম. নুরুল হুদা।

সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন

ইভিএমের ব্যবহার রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনের ওপর: সিইসি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনেরর ওপর নির্ভর করবে। সরকার যদি চায় তবেই জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম’র ব্যবহার এখনও নিশ্চিত না। বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) ভবনের সম্মেলন কক্ষে সকালে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এ মনোভাব ব্যক্ত করেন।

সিইসি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের সমর্থন, নিজেদের সক্ষমতা, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ আর আইন কার্যকরের ওপরই ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদা।

তিনি বলেন, যেকোনো উদ্যোগ, নতুন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি এলে, তা নিয়ে জানার উৎকণ্ঠা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটিকে আমরাও ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি। যারা ভোট দেবেন বা ট্যাক্স হোল্ডারদের টাকা অপচয় হবে কিনা এটা জানতে চাইবেন, এটাও তো স্বাভাবিক বিষয়।

নূরুল হুদা বলেন, প্রযুক্তি এখন আর বাক্সে বন্দি নেই। এটি এখন মানুষের হাতে হাতে। মোবাইলের মাধ্যমেই আমরা এখন সব তথ্য আদান-প্রদান করতে পারি।
তিনি বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হাজার রকমের জিনিসপত্রের প্রয়োজন হয়। চিন্তায় থাকতে হয়, কেন্দ্রে পৌঁছানোর সময় ব্যালট পেপার ছিনতাই হয় কিনা? প্রযুক্তির ব্যবহার হলে এসব চিন্তা দূর হবে। তাছাড়া নির্বাচন পরিচালনায় ৭০ ভাগ খরচ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য, সেটিও কমে আসবে।

ইভিএম কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, ইভিএম কেনার বিষয়ে আমাদের কোনো তহবিল থাকবে না। এটা অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকার দেখবে। এ বিষয়ে আমরা চিঠি দিয়ে ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে মিটিং করে জানিয়েছি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads