• মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
ব্যবসায়ীদের কষ্ট বুঝতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

সংরক্ষিত ছবি

উদ্যোক্তা

ব্যবসায়ীদের কষ্ট বুঝতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

সিআইপি কার্ড পেলেন ১৩৬ ব্যবসায়ী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রফতানি বাণিজ্যে অবদান রাখায় ১৩৬ ব্যবসায়ীকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি-সিআইপি কার্ড দিয়েছে সরকার। ২০১৫ সালের জন্য তাদের এই কার্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকালে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবসায়ীদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। রফতানিতে সরাসরি অবদান রাখায় ৯৪ ব্যবসায়ী এবং পদাধিকার বলে ৪২ ব্যবসায়ীকে এবার কার্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক সময় ভাবি ব্যবসায়ীরা ভালো আছেন। তাদের কষ্ট আমাদের উপলব্ধি করতে হবে। ব্যবসা করতে গিয়ে তারা ঋণখেলাপি হচ্ছেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমি জাতীয় সংসদে বলেছি, এবার ৩৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। এটা আমরা করিনি, করেছেন ব্যবসায়ীরা। এ জন্য তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, আজ চামড়া ছাড়া সব পণ্যের রফতানি বেড়েছে।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, কিছু কিছু আমলা শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারেন। তারা মনে করেন রফতানিতে নগদ সহায়তার টাকা মন্ত্রণালয়ের। এই টাকা তারা খরচ করতে চান না। কিন্তু এই টাকা আমাদের। ব্যবসা-বাণিজ্য তথা দেশের উন্নয়নের জন্য এই টাকা খরচ করতে হবে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) উদ্দেশ করে শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, বিভিন্ন দেশে অনেক মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। কিন্তু এর সংখ্যা কমিয়ে এনে মানসম্মত মেলার আয়োজন করতে হবে। কবুতরের খোপে বসে সময় নষ্ট করতে চাই না আমরা।

জানা যায়, নির্বাচিত সিআইপিরা এক বছর পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধ পেয়ে থাকেন। সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশপত্র সংবলিত গাড়ির স্টিকার পাবেন। এ ছাড়া বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমান, রেল, সড়ক ও জলযানে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন তারা। সিআইপিদের জন্য ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহায়তা করে থাকে। এ ছাড়া বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব সুভাশীষ বসু, এফবিসিসিআইর পরিচালক হাসিনা নেওয়াজ ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোক্তাদির। ইপিবি ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য এতে সভাপতি ছিলেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads