• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
দুই সপ্তাহের মধ্যেই ব্রেক্সিট চুক্তি : ইইউ

লোগো ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ইউরোপ

দুই সপ্তাহের মধ্যেই ব্রেক্সিট চুক্তি : ইইউ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ০৭ অক্টোবর ২০১৮

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ব্রেক্সিট চুক্তি কার্যকর হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রধান জ্য ক্লদ জাঙ্কার। ব্রাসেলস যুক্তরাজ্যকে কানাডা স্টাইলের বাণিজ্য চুক্তি প্রস্তাব আকারে দেবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি সপ্তাহেই ব্রেক্সিট চুক্তি হবে কি-না এমন সমালোচনার জবাবেই জাঙ্কার এই মন্তব্য করেছেন। জানা যায়, ব্রাসেলস প্রস্তাবিত এই চুক্তিতে থেরেসা মে সরকারের প্রস্তাবিত চেকার্স প্ল্যানের কিছু অংশ থাকবে। তবে মে’র চেকার্স প্ল্যানে যেমন বিরোধহীন বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাবনা ছিল, তা ইইউ প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় থাকবে না।

আগামী সপ্তাহেই ইইউর মন্ত্রীরা মে প্রস্তাবিত চেকার্স প্ল্যানের বিস্তারিত নিয়ে আলোচনায় বসার কথা। কিন্তু তার আগেই জাঙ্কারের বক্তব্য ব্রেক্সিট ইস্যুকে নতুন মোড়ে দাঁড় করিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ বাণিজ্যিক স্বার্থে দুই পক্ষই চাইবে সর্বোচ্চ সুবিধা গ্রহণ করতে। কিন্তু যুক্তরাজ্য সীমান্ত ব্যবস্থা অক্ষুণ্ন রেখে করমুক্ত বাণিজ্য সুবিধার যে পরিকল্পনা দিয়েছে, তা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে মানা সম্ভব নয়। শুধু তা-ই নয়, অক্ষুণ্ন সীমান্ত ব্যবস্থা রাখতে গেলে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আয়ারল্যান্ড ইস্যু নতুন মাত্রা যুক্ত হতে পারে। ব্রেক্সিট ইস্যু সামলাতে গিয়ে থেরেসা বা কনজারভেটিভ সরকার এমন বিতর্কিত ইস্যুতে হাত দেবে কি-না, তা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

ইতোমধ্যে ইউরোপে এবং নিজের ঘরে তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছেন থেরেসা মে। ব্রেক্সিটের পক্ষের এমপিরা কানাডা স্টাইলের চুক্তির পক্ষে রায় দিয়েছেন। এখন মধ্য অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ইইউ সম্মেলনে ব্রেক্সিট চুক্তি হয় কি-না তাই দেখার বিষয়। অস্ট্রিয়ার কয়েকটি পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে জাঙ্কার বলেন, আমি বলব সাম্প্রতিক সময়ে দুপক্ষের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্রেক্সিট চুক্তির মূল চ্যালেঞ্জ মুক্তবাজার অর্থনীতিকে এড়িয়ে বিরোধহীন একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানো। এ ছাড়া আছে সীমান্তে কাস্টমস অফিস বসানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যাপার।

ইইউর সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তির ফলে যদি সীমান্তে কাস্টমস অফিস খুলতে হয়, সেক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যকে আয়ারল্যান্ডের সীমান্তেও কাস্টমস অফিস খুলতে হবে। এক্ষেত্রে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য নীতি অনুসরণ করবে, নাকি ইইউ প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুসরণ করবে তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads