• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

স্বাস্থ্য

মস্তিষ্কের উপকারী খাবার

  • ফয়জুন্নেসা মণি
  • প্রকাশিত ২৭ এপ্রিল ২০১৮

পরিমাণমতো খাদ্যের জোগান না পেলেই মস্তিষ্কের কার্যপ্রণালীতেও বিপর্যয় আসাটা স্বাভাবিক। তাই মস্তিষ্ক সজীব রাখতে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে হয়। মানুষ যখন কাজের খুব চাপের মধ্যে থাকে তখন শরীর থেকে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। ফলে মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। আর এ সময় চকলেট বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে রক্তে সুগারের পরিমাণ খুব দ্রুত বাড়ে এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

ভিয়েনার পুষ্টিবিজ্ঞানী ইনগ্রিড কিফার বলছেন, রক্তে সুগারের পরিমাণকে খুব দ্রুত বাড়িয়ে দেয় চকলেট। ফলে এটি মস্তিষ্কে এক ধরনের সুখবোধ তৈরি করে। কিন্তু এই চাঞ্চল্য বা সুখবোধের অনুভূতি আবার বিলীনও হয়ে যায় খুব দ্রুততম সময়ে। অর্থাৎ চকলেট থেকে পাওয়া কর্মচাঞ্চল্য খুবই ক্ষণস্থায়ী। ফলে, অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষ আবার শ্রান্ত, অবসন্ন ও উদ্যমহীন হয়ে যেতে পারে। তাই, দীর্ঘস্থায়ী কর্মচাঞ্চল্যের জন্য কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন কিফার।

পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, শস্যকণা, যব, আলু, গম, শিম, মটরশুঁটি, ফল এবং সবজিজাতীয় খাবারগুলো মস্তিষ্ককে প্রচুর পরিমাণ কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, চকলেট বা মিষ্টিজাতীয় খাবারগুলো যতই মুখরোচক আর সুস্বাদু হোক, মস্তিষ্কের জন্য তা উপকারী নয়। ফলে মস্তিষ্ককে সতেজ, চাঙ্গা ও স্থির রাখতে প্রয়োজন কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিন এ, সি ও ভিটামিন ই-জাতীয় খাবার। ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস লওয়েলের এক গবেষণা থেকে জানা যায়, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আপেলের রসও উপকারী। এ রস মগজের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার এসিটিলকোলিনের উৎপাদন বাড়ায়। ফলে বাড়ে মস্তিষ্কের শক্তিও।

(সূত্র : ডেইলি মেইল ও দি সায়েন্স ম্যাগাজিন )

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads