• বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫
ads
ঈদের ছুটিতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে নির্দেশনা

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ

প্রতীকী ছবি

স্বাস্থ্য

জেলা হাসপাতালে বহির্বিভাগ ৩ ঘণ্টা খোলা থাকবে

ঈদের ছুটিতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে নির্দেশনা

  • হাসান শান্তনু
  • প্রকাশিত ১৯ আগস্ট ২০১৮

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি চলাকালীন দেশের সব সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ঈদের তিন দিন এবং এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এবার পাঁচ দিনের ছুটির কবলে পড়ছে সরকারি সব প্রতিষ্ঠান। তবে এ সময়ে রোগীদের দুর্ভোগ কমানো ও চিকিৎসাসেবা দিতে জরুরি ও আন্তঃবিভাগসহ জরুরি চিকিৎসার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য বিভাগ সার্বক্ষণিক খোলা রাখার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা দেশের সব হাসপাতালপ্রধানদের কাছে লিখিত আকারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ছুটি চলাকালে উপজেলা, জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং হাসপাতালগুলোতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করবে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। এজন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার’ ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ‘নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ (কন্ট্রোল রুম) সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত কয়েক বছর ধরে ঈদের ছুটি চলাকালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় এবারো বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, ছুটিকালীন রোগীদেরকে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, সেবক ও সেবিকা দায়িত্ব পালন করবেন। উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে ছুটিকালীন জরুরি ও আন্তঃবিভাগসহ প্রসূতি কার্যক্রমও চলবে। জেলা সদর হাসপাতালে বহির্বিভাগ সীমিত আকারে চালু রাখার কথাও বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, শুধু ঈদের দিন ছাড়া বহির্বিভাগ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে ইসিজিসহ রোগীদের কয়েকটি পরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। সার্জারি বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ‘কোড রেড টিম’ থাকবে, যারা সড়ক দুর্ঘটনা, ভূমিধস, পাহাড়ধস ও অগ্নিকাণ্ডসহ ক্যাজুয়েলটির চিকিৎসায় দায়িত্ব পালন করবে।

মন্ত্রণালয়ের পৃথক আরেকটি আদেশে সব সরকারি হাসপাতালে ঈদ উপলক্ষে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে এসে কেউ যেন সেবা না নিয়ে ফিরে যেতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতি বছরই ঈদের ছুটিতে সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো অনেকটা চিকিৎসক, সেবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীশূন্য হয়ে পড়ে। এতে রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ইতোমধ্যে ছুটি নিয়েছেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক। কেউ ঈদের পরে বাড়তি ছুটিও নিয়েছেন। আবার কেউ ছুটি নিয়েছেন আগেই। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ চিকিৎসক ছুটি নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে জরুরি রোগীর চাপ থাকে না বলে ছুটিতে সমস্যা হয় অপেক্ষাকৃত কম। তবে ছুটির সময় আন্তঃবিভাগে ভর্তি থাকা রোগীরা নিয়মমতো চিকিৎসকের দেখা পায় না।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads