• বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

ভারত

ভারতে উচ্চবর্ণের কোটাবিরোধী বিক্ষোভ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১১ এপ্রিল ২০১৮

চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে দলিতদের কোটার দাবির প্রতিবাদে ভারতের বিহার রাজ্যে উচ্চবর্ণের ডাকা ‘ভারত বন্ধ’ চলছে। এনডিটিভি সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বিক্ষোভ চলাকালে কোটাবিরোধীদের সঙ্গে কোটাপন্থিদের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বিহার রাজ্যের অন্তত অর্ধেক জেলার বিভিন্ন মূল সড়ক, রেললাইন এবং জোরপূর্বক বাজার বন্ধ করে দেয়।

জানা যায়, বিহারের আরা শহরে কোটাপন্থি এবং কোটাবিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের লাঠিচার্জ করা ছাড়াও শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পাটনা, বেগুসারাই, লক্ষ্মীসারাই, মুজাফফরপুর, ভোজপুর, শেখপুরা, নাওয়াদা এবং দারভাঙ্গায় শতাধিক কোটাবিরোধী বিক্ষোভকারী স্থানীয় বাজার ও সড়ক বন্ধ করে দেয়। এ ছাড়াও উত্তর প্রদেশের শাহরানপুর, মুজাফফরনগর, শামলি এবং হাপুরের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফিরোজাবাদ জেলায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উত্তরাখণ্ডে একসঙ্গে একাধিক ব্যক্তির জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় মঙ্গলবারের ভারত বন্ধকে কেন্দ্র করে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে সব রাজ্যের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়। যদি কোনো অঞ্চলে নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রশাসনের গাফিলতি প্রমাণিত হয় তাহলে ওই জেলার ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশপ্রধানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

শিক্ষা এবং চাকরিক্ষেত্রে এসসি-এসটি কোটার বিরোধিতা করে এই বেধর ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও কোটাপন্থি সংগঠনগুলো বলছে, এই আন্দোলনের পেছনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মদত আছে। গত সপ্তাহে হওয়া দলিতদের আন্দোলন ধামাচাপা দিতেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত।

গত ২০ মার্চ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে কেন্দ্র করে মূল সমস্যা ঘনীভূত হয়। তফসিল জাতি ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার বন্ধে ১৯৮৯ সালে প্রচলিত আইনে সংশোধন ঘটিয়ে তা আরো কঠোর করা হয়। ওই সংশোধনের বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ এবং উত্তর প্রদেশে দলিত সম্প্রদায় প্রথমবারের মতো ভারত বেধর ডাক দিয়েছিল। ওই বেধ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১০ জন দলিত বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads