• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
হায়দরাবাদ-চেন্নাই ফাইনাল আজ

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হবে হায়দরাবাদ

ইন্টারনেট

আইপিএল

হায়দরাবাদ-চেন্নাই ফাইনাল আজ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৭ মে ২০১৮

বারুদের গন্ধ শুঁকে যার বেড়ে ওঠা, তার কাছে বাইশ গজের লড়াইটা তো পানিভাত মনে হবেই! আফগানিস্তানের ১৯ বছরের স্পিনার রশিদ খান প্রায় একাই যেন বলিউড তারকা শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ১৪ রানে হারিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে আইপিএলের ফাইনালে তুললেন। আজ রোববার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হবে হায়দরাবাদ।  প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে হায়দরাবাদকে মাত্র ২ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় চেন্নাই দল।

শুক্রবারের ম্যাচে হায়দরাবাদের নাটকীয় জয়ে বাংলাদেশের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের অবদানও কম নয়। ব্যাট হাতে ২৪ বলে ২৮ রান করে এবং বল হাতে ৩ ওভারে ১৬ রানে ১টি উইকেট নিয়ে সাকিব হয়ে পড়েছেন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। চমৎকার পারফরম্যান্স দেখান সাকিব। অথচ গত টুর্নামেন্টে কলকাতা তাকে ডাগ আউটে বসিয়ে রেখেছিল। এদিন যেন সেই অপমানের বদলা নিয়ে উচ্ছ্বসিত সাকিব।

রশিদ ব্যাট হাতে ১০ বলে বিস্ফোরক ৩৪ রান। আর বল হাতে চার ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট। এখানেই শেষ নয়। শেষ ওভার জয়ের জন্য কলকাতার দরকার যখন ১৯ রান। তখনো বাউন্ডারি লাইনের ধারে দুটি অনবদ্য ক্যাচ তালুবন্দি করেন রশিদ।

জয়ের জন্য ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে কলকাতার ক্রিস লিন ও সুনিল নারিন যেভাবে ব্যাট করছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল বেশ কয়েক ওভার বাকি থাকতেই ফাইনালের টিকেট পাকা করে ফেলবে দল। কিন্তু রশিদ, সাকিব, ব্রেথওয়েটদের মারাত্মক বোলিংয়ে ঘটনা ঘটল তার উল্টোটা। নারিন ১৩ বলে ২৬ রান, লিন ৪৮, নীতিশ রানা ২২, শুভমান গিল ৩০ রান করলেও হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় কলকাতাকে। সাকিবের বলে ক্যাপ্টেন কার্তিক (৮) বোল্ড হতেই যেন ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গিয়েছিল।

এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে হায়দরাবাদ। একই ওভারে হায়দরাবাদের দুই তারকা ব্যাটসম্যান শিখর ধাওয়ান ও কেন উইলিয়ামসনকে আউট করেন কুলদীপ যাদব। মনে হয়েছিল ১৫০ রানও তুলতে পারবে না তারা। ১৭তম ওভার শেষে হায়দরাবাদের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ১২৪ রান। শেষ তিন ওভারে ৫২ রান যোগ করে সানরাইজার্স। তার মধ্যে অধিকাংশ রানই এসেছে স্পিনার রশিদ খানের ব্যাটে। রশিদ মাত্র ১০ বল খেলে দুটি বাউন্ডারি ও চারটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের স্কোর একটা ভদ্রস্থ জায়গায় পৌঁছে দেন। সর্বাধিক ৩৭ রান করেন ঋদ্ধিমান। ধাওয়ান ২৪ বলে ৩৪ রান করে মাঠ ছাড়েন।

ফাইনালে হারেন না সাকিব: আবারো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফাইনালে খেলবেন সাকিব। এর আগে কলকাতার হয়ে ২০১২ ও ২০১৪ সালে ফাইনালে খেলেছিলেন তিনি। দু’বারই শিরোপা জয় করেছিল শাহরুখ খানের দল। আইপিএলে সাকিবের শুরুটা হয় কলকাতার হয়ে ২০১১ সালে। এরপর টানা সাত বছর আইপিএল মাতিয়েছেন এ অলরাউন্ডার। জিতেছেন দুটি শিরোপা। কিন্তু এবার আইপিএলের আসরের নিলামে আগে বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে ছেড়ে দেয় কলকাতা। খুবই অল্প দামে সাকিবকে দলে ভেড়ায় হায়দরাবাদ। প্রমাণ দিয়েছেন নিজের সামর্থ্যের। হায়দরাবাদকে নিয়ে গেছেন ফাইনালে। আর আইপিএল ইতিহাস বলছে, এ পর্যন্ত ফাইনাল খেলে হারেননি সাকিব। নতুন দলের জার্সিতে অনন্য এক রেকর্ড গড়ার হাতছানি সাকিবের সামনে- আইপিএলের তৃতীয় শিরোপা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads