• শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

সংরক্ষিত ছবি

শ্রমশক্তি

নারীর অস্বীকৃত কাজের স্বীকৃতির পক্ষে অর্থমন্ত্রীও

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১১ মে ২০১৮

নারীর অস্বীকৃত কাজকে স্বীকৃতি দিতে এনজিওগুলোর দাবিকে আগামী বাজেটের জন্য মৌলিক পরামর্শ উল্লেখ করে এর পক্ষে মত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বৃহস্পতিবার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তাদের দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বতর্মানে দেশে ২ কোটি দরিদ্র রয়েছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে দেশে আর দরিদ্র থাকবে না।

আলোচনায় অংশ নিয়ে এনজিও প্রতিনিধিরা বলেন, ঘরের কাজের আর্থিক মূল্য না থাকায় নারীরা এর স্বীকৃতি পায় না। তবে নারীর এ কাজ দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। এ অবস্থায় নারীর এ অস্বীকৃত কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো (এনজিও)। একই সঙ্গে মূল্যায়নের মাধ্যমে নারীর গৃহকাজের আর্থিক মূল্য বের করে জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) যোগ করারও দাবি জানানো হয়।

এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল থেকে ঝরে পড়া স্কুল শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনতে হবে। ঝরে পড়া রোধ করতে মিড ডে মিলের (দুপুরের খাবার) আওতা আরো সম্প্রসারণ করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু স্কুল মেরামতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আগামী বাজেটেও ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল মেরামতে বরাদ্দ থাকবে। প্রায় ৫ হাজার স্কুল মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে আগামী অর্থবছরে।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম আগামী বাজেটে শিশুদের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি শিশু অধিদফতর স্থাপনের দাবি জানান। তিনি বলেন, নারীর অস্বীকৃত কাজকে স্বীকৃতি দিতে হবে। জিডিপিতে এর আর্থিক মূল্য যোগ করতে হবে।

লিঙ্গ-বৈষম্য কমাতে মনিটরিং সেল গঠনের দাবি জানান বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম। তিনি বলেন, নারীর প্রতি সহিসংতা রোধে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো দরকার। অ্যাকশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, বর্তমানে জেন্ডার বাজেটে বরাদ্দ জিডিপির মাত্র ৫ শতাংশ। এ বরাদ্দ ২০ শতাংশে নিয়ে যেতে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী আগামী বাজেটে শিক্ষা খাতে বাজেটের ১৮ শতাংশ বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান। সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পাইলট আকারে ঢাকা শহরের ১০০টি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালুর পরামর্শ দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads