• শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৫
ads
আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কেন জামিন দেওয়া হবে না : হাইকোর্ট

আলোকচিত্রী শহিদুল আলম

সংগৃহীত ছবি

আইন-আদালত

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কেন জামিন দেওয়া হবে না : হাইকোর্ট

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৭ অক্টোবর ২০১৮

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কেন জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।  এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার এ আদেশ দেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন ড. শাহদিন মালিক ও জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির।

গত ৬ আগস্ট এ মামলায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর সাত দিনের রিমান্ড শেষে গত ১২ আগস্ট শহিদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

কিন্তু গত ১৯ আগস্ট শহিদুলের জামিন আবেদন শুনানির তারিখ এগোনোর আবেদন করা হলে তা গ্রহণ না করে একই আদালতে গত ২৬ আগস্ট শহিদুল আলমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি।

এরপর গত ২৮ আগস্ট হাইকোর্টে শহিদুল আলম জামিন আবেদন করলে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিন আবেদনটি শুনতে বিব্রতবোধ করেন।  নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যায় এবং তিনি নতুন বেঞ্চে জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য পাঠান।

সেই ধারাবাহিকতায় জামিন আবেদনটি বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য আসে। হাইকোর্টের এই বেঞ্চ শহিদুল আলমের জামিন আবেদন ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

এরপর গত ১১ সেপ্টেম্বর শহিদুলের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে তা নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েস। এই নামঞ্জুরের আদেশের পর হাইকোর্টে আবার জামিন আবেদন করেন শহিদুল।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ‘উসকানিমূলক ও মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে শহিদুল আলমকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় গত ৬ আগস্ট গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শহিদুল আলমের পরিবারের দাবি, আগের দিন ৫ আগস্ট রাতে শহিদুল আলমকে তার বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।


আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads