• বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
আকাশবীণার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আকাশবীণার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

আকাশবীণার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন যুক্ত হওয়া বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার আকাশবীণা’র আনুষ্টানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার দুপুর সোয়া একটার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিতা কেটে ড্রিমলাইনারটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি বিমানটিতে উঠে এর বিভিন্ন বিষয় পরিদর্শন করেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল ইনামুল বারী (অব.) বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর একই দিন ড্রিমলাইনারের প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। ড্রিমলাইনার দিয়ে প্রাথমিকভাবে ঢাকা-সিঙ্গাপুর ও ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ আগষ্ট যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় আসে বিমানটি। ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু হয়। এয়ার মার্শাল বারী বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান এয়ারলাইন্সে নতুন যুক্ত হওয়া বোয়িং-৭৮৭ বিমানটিতে রয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিও সুযোগ-সুবিধা।

ড্রিমলাইনার আকাশবীণা যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমান বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫টিতে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দে এর নামকরণ করা হয় আকাশবীণা।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০০৮ সালে মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন বিমান ক্রয়ের জন্য ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের চুক্তি করে। সেই চুক্তির আওতায় ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত হয়েছে ছয়টি বিমান। বাকি চারটি বিমান হলো বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রীমলাইনার। এর প্রথমটি বিমান বহরে যুক্ত হলো। বাকি তিনটি বিমানের একটি এ বছর নবেম্বরে এবং সর্বশেষ দুটি আসবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে।

আকাশবীণায় আসন সংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি আর ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। বিজনেস ক্লাসে ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরমদায়কভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। দু’পাশের প্রত্যেক আসনের পাশে রয়েছে বড় আকারের জানালা। একইসঙ্গে জানালার বোতাম টিপে আলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। জানালা ছাড়াও কেবিনেও রয়েছে মুড লাইট সিস্টেম। টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই ড্রীমলাইনার চালাতে অন্যান্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি লাগে। এটি ঘণ্টায় ৬৫০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads