• মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৫
ads
১৭ বছরেও মেলেনি প্রশ্নের উত্তর

টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ বিমান হামলা দৃশ্য

ছবি ইন্টারনেট

জাতীয়

৯/১১-এর সপ্তদশ বর্ষপূর্তি

১৭ বছরেও মেলেনি প্রশ্নের উত্তর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ বিমান হামলার সপ্তদশ বর্ষপূর্তি আজ মঙ্গলবার। বিশ্বব্যাপী ৯/১১ হামলা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ওই ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হন। এ ঘটনার পর পরই আফগানিস্তানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী সময়ে যা আরো কয়েকটি মুসলিমপ্রধান দেশে বিস্তৃত হয়। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল প্রতাপান্বিত রূপ প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু হামলাটি কারা এবং কী উদ্দেশ্যে চালিয়েছিল তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। এ-সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পুরোপুরি জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি মার্কিন প্রশাসনও।

হামলার ঘটনার পর পরই যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ জানায়, জঙ্গিরা কয়েকটি উড়োজাহাজ ছিনতাই করে সেগুলো নিয়ে টুইন টাওয়ার খ্যাত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দফতর পেন্টাগনে হামলা চালায়। দুই শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে চালানো প্রথম হামলা এটি। দুটি উড়োজাহাজের আঘাতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের আকাশচুম্বী দুটি ভবন গুঁড়িয়ে যায়। এতে ২ হাজার ৭৫৩ জন নিহত হন। তৃতীয় আরেকটি উড়োজাহাজ ওয়াশিংটনে পেন্টাগন ভবনে আঘাত হানে। এতে নিহত হন ১৮৪ জন। ছিনতাই হওয়া চতুর্থ আরেকটি উড়োজাহাজ ওয়াশিংটনের দিকে যাওয়ার সময় পেনসিলভানিয়ার একটি মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এতে আরো ৪০ জন নিহত হন।

এর জেরে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বব্যাপী ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে, যা এখনো অব‌্যাহত আছে। জোটবদ্ধ হামলা হতে থাকে আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া বিভিন্ন দেশে। তালেবান, আল-কায়েদা বা আইএস নির্মূলের নামে এখনো চলছে হামলা।

নিউইয়র্কে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের বক্তব্য দিয়ে অবশ্য ধোঁয়াশা রয়েছে। কখনোই তারা চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেনি। তাই এখনো আসলে কারা হামলা করেছিল, এর পেছনে কাদের মদত ছিল, জেট ফুয়েলচালিত বিমান দিয়ে টুইন টাওয়ারের মতো বিশাল ভবন ধসিয়ে দেওয়া যায় কি না- এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর আজো মেলেনি। এ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা, তথ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে; কিন্তু সুরাহা হয়নি। তবে হামলার ঘটনা বদলে দিয়েছে বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রকে। এর জেরে সমরাস্ত্রে নিজেদের সক্ষমতার জানান দিতে ময়দানি লড়াইয়ে নামতে হয়েছে স্নায়ুযুদ্ধের মার্কিন প্রতিপক্ষ রাশিয়াকেও। পুরো বিশ্বই পড়ে গেছে মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে।

এদিকে টুইন টাওয়ারে হামলার ১৭ বছর পর পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে নিউইয়র্ক সিটির পাতাল রেলস্টেশন। গত শনিবার স্টেশনটি নতুন করে খুলে দেওয়া হয়। ধ্বংস হওয়ার আগে পাতাল রেলস্টেশনটির নাম ছিল কোর্টল্যান্ড স্ট্রিট। এখন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নামানুসারে এর নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ডব্লিউটিসি কোর্টল্যান্ড স্টেশন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads