• বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫
ads

মতামত

উন্নয়ন স্বীকৃতিটা প্রান্তিক মানুষেরও

  • শহীদ ইকবাল
  • প্রকাশিত ০৫ আগস্ট ২০১৮

উত্তরাঞ্চলের একাত্তরের বীরপ্রতীক তারামন বিবি একালে এসে কিছুটা হলেও সুখের মুখ দেখেছিলেন। একইভাবে এদেশে আরো কত প্রান্তিক মানুষ জীবনের কালিঝুলি ঠেলে এখন আলোর সন্ধান দেখেছেন। যেহেতু উত্তর জনপদে আমাদের বাস ও চলাফেরা, সে কারণে বৃদ্ধ বয়সেও কেউ যখন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পায় কিংবা পুকুর চাষ, সবজির বাগান করে জীবিকা নির্বাহ করে; জীবনের সূচিতে যোগ করে উৎসবের নতুন মাত্রা তখন ‘উন্নয়ন’ কথাটা শুধু ধারণা থাকে না, বাস্তব-স্পর্শ লাভ করে। এখন আমরা ডিজিটাল যুগের সান্নিধ্যে এসেছি, রাজনৈতিক চিন্তাধারার পরিবর্তন দেখছি; যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ডের সাজা দেখছি— দেখছি এমন আরো কত কিছু! কিন্তু এর মধ্যে এটাও তো ঠিক যে দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে, প্রবাসী হয়েছেন কেউ কেউ, প্রবাসী হয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন নানাভাবে কিংবা ফিরে এসে অনেকেই বিজনেস ফার্মের মালিক হয়েছেন— সেখানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছেন তারই প্রতিবেশী বা আত্মীয়-স্বজন কাউকে, কেউবা এলাকায় থেকে স্বউদ্যোগে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন, এগিয়ে গেছেন সন্তান-সন্ততির পড়ালেখা-স্বপ্নসাধনা নিয়ে— নিজে যুক্ত হয়েছেন প্রতিনিয়ত দৈনন্দিন জীবনের এক সামগ্রিক কর্মযজ্ঞে। আমাদের দেশের একটা বড় অংশ এখন নারী, তাদের সাফল্যের ঈর্ষাপ্রবণতা বেশ উচ্চগামী। আবারো দেশের উত্তর জনপদের কথা বলি কারণ, এখানে অধিকাংশ প্রান্তিক নারী এখনো শহরমুখো কিংবা কোনো আঞ্চলিক ফার্মেও বেতনভোগী কর্মযোগী। সবাই জানেন আমাদের গার্মেন্টে নারীদের কর্মসংস্থানের মাত্রা ও সাফল্য কতটুকু। এটা কিন্তু বেশ উল্লেখনীয়ভাবে চোখে পড়ার মতো। আমাদের রফতানি খাতে পোশাক শিল্পের অবদানের মূলে আছেন এই নারীরা। বিশেষত এদের বাস দেশের উত্তর জনপদেই বটে। সস্তা শ্রম আর অল্প মজুরি দিয়ে আমরা যা চালাই, তার ভাগীদার এই ‘দুর্ভাগ্যজনক’ অসহায় নারীরা। কিন্তু মজুরি কম নিয়ে হলেও তারা সেই আগের দুশ্চিন্তা, অন্ধকার জীবন থেকে এখন কমবেশি বেরিয়ে আসতে সচেষ্ট হয়েছে। এটা লক্ষ করা যায়, গ্রামে বিভিন্ন কাজকর্মে প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের আর তেমন সাক্ষাৎ হয় না। হালের জমিতে, উঠোনের কাজে, ধান উড়ানোয়, বাসাবাড়ির ছুটা কাজে, গবাদিপশুর যত্নে— তারা দৃশ্যমান রকম নেই-ই বলা যায়! কেন? এর জবাব সাভারে আশুলিয়ায় উত্তরায় সকালে বা রাতে (অফিস সময়ের শুরু বা শেষে) চোখে পড়ে। তারা অলস নয়, মর্যাদাহীন নয়, কাজকেই ধর্ম মনে করে— সেভাবেই তাদের ঘরে টিনের চাল ওঠে, বাড়ির বেড়ায় ইটের গাঁথুনি হয়, পাকা দালান উঠে যায়। বেড়ে যাচ্ছে তাদের সক্ষমতা, পরিবারেও গুরুত্ব বেড়েছে, বন্ধন দৃঢ় হয়েছে, সম্পত্তি এখন ক্রমবর্ধমান, আয়ের হাত এখন সম্প্রসারিত— আর এসবই ঘটছে অভ্যন্তরীণ সামর্থ্যের কারণে— তাতে সন্তান ও শিক্ষা হয়ে যাচ্ছে সম্পূরক। বিষয়টি একধরনের এদেশের উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক দৃশ্যচিত্রই বলা চলে। এখন প্রশ্ন হলো, এই কি উন্নয়ন? দেশের অগ্রগমন-সূচকরেখার এই কি ভিত্তি? অর্থনীতিবিদরা কী তবে প্রবৃদ্ধি আর উন্নয়নরেখাকে এর মূলেই ভাবছেন? জটিল তর্ক বা গূঢ় কিছু পর্যালোচনার ক্ষেত্র এটা নয় বা তার তাত্ত্বিক তাৎপর্যের প্রতিষ্ঠা দেওয়ারও সময় এখানে কম। সেদিকে যাব না, নিছক মানবকল্যাণের ধারায় যেটি বলতে চাই, ‘ঢ়ড়ষরঃরপধষ ভৎববফড়সং ধহফ ঃৎধহংঢ়ধৎবহপু রহ ৎবষধঃরড়হং নবঃবিবহ ঢ়বড়ঢ়ষব’, ‘ভৎববফড়স ড়ভ ড়ঢ়ঢ়ড়ৎঃঁহরঃু, রহপষঁফরহম ভৎববফড়স ঃড় ধপপবংং পৎবফরঃ’, ‘বপড়হড়সরপ ঢ়ৎড়ঃবপঃরড়হ ভৎড়স ধনলবপঃ ঢ়ড়াবৎঃু, রহপষঁফরহম ঃযৎড়ঁময রহপড়সব ংঁঢ়ঢ়ষবসবহঃং ধহফ ঁহবসঢ়ষড়ুসবহঃ ৎবষরবভ’ [অগঅজঞণঅ ঝঊঘ]. জনগণের (অবশ্যই তা কৃষক ও মেহনতি জনতার) পক্ষে কয়েকটি বিষয় এখানে আমলে নেওয়া দরকার : (ক) রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা, (খ) সুযোগের স্বাধীনতা, (গ) শোচনীয় দারিদ্র্যের বিপক্ষে দক্ষ অর্থনীতি কায়েম করা। সেটি কীভাবে সম্ভব বা এ ধারায় মানব-উন্নয়নের সংস্কৃতিটি কেমন হতে পারে, তা-ই বিবেচ্য।

২.

প্রতিযোগিতামূলক সংস্কৃতির ভেতরে আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রেরণার সমর্থনে অবকাঠামোগত সমর্থন অনস্বীকার্য। এ লক্ষ্যে রাষ্ট্র তথা সরকার কাজ করবে। যোগাযোগ (পুল-সাঁকো, ব্রিজ, পরিবহন, প্রযুক্তি প্রভৃতি) হবে সর্বমূল ভিত্তি। যেমন পঞ্চগড় অঞ্চলের চা-কমলালেবু এবং পাথর বেশ অর্থযোগ করছে, মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষেরই। মহানন্দা ও ডাহুক নদীর পাড়ের অনেকেই পাথরজীবী হয়ে পড়েছেন। এদের কর্মসংস্থান হওয়ার পাশাপাশি নানাবয়সী প্রান্তিক শ্রমিক-কৃষকদের পেশার বদল ঘটেছে, একাধিক পেশায় যুক্ত হওয়ার ফলে উন্নতিও বেড়েছে। সুযোগের স্বাধীনতা এতে স্বপ্নসূত্র তৈরি করেছে। পোল্ট্রি ও ফলদ বৃক্ষও এ অঞ্চলে অর্থ-আগমনের অন্যতম উৎসমুখ বলা চলে। বৃহত্তর দিনাজপুর-রংপুরে ধান ও সবজির বিস্তর আবাদ চলছে। এর সঙ্গে যুক্ত প্রান্তিক কৃষক। কুল-আম-লিচুর বাগান ছাড়াও ভুট্টা-কলাচাষে তারা অধিক মনোযোগী। আগে এলাকাভিত্তিক যে চাষাবাদ হতো তা এখন আর নেই। বিশেষ করে, কুল-লিচু-আম সর্বত্রই হচ্ছে। কৃষকদেরও স্বভাব পাল্টেছে। ধান-পাট-ইক্ষুর চাষ থেকে বেরিয়ে তুলনামূলক কম শ্রমে অধিক লাভ কিংবা সামাজিক মর্যাদার পরিবেশ নিয়ে কাঙ্ক্ষিত ব্যবস্থাপনায় তৈরি করছে ভোগ্য উৎপাদনবস্তু। তবে ফড়িয়া-দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর উৎপাত কিন্তু কম নয়। ‘দক্ষ’ অর্থনীতি তাতে ন্যুব্জ। উদাহরণ, বগুড়ার মোকামতলা বাজারে শীতের সবজি (রবি শস্য) যে দরে কৃষকরা বিক্রি করে, তার কয়েক গুণ বেশি দরে ঢাকার বাজারে বিক্রি হয়। আর্থনীতিক অদক্ষতার কার্য-কাঠামোতে যুক্ত ফড়িয়া, হাইওয়ে পুলিশ, মোকামের শ্রমিক নেতা ও আড়তদাররা। পরিশ্রম ছাড়া শুধু সিন্ডিকেট করে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যে তারা ‘লাভের পাহাড়’ গড়ে তুলেছে। কার্যত তারা বাজারও নিয়ন্ত্রণ করে। সরকার ব্রিজ-কালভার্ট করে দিয়েছে, যোগাযোগ সুবিধা দিয়েছে, নিরাপত্তাও দিচ্ছে কিন্তু দুর্নীতির চক্র থেকে বের হতে পারছে না। দুর্নীতিই ব্ল্যাকমানি, অর্থতারল্য তৈরি করছে। আর এসবের বিপরীতে অবক্ষয়-বিকার-ভোগ ও অসংস্কৃতির জন্ম দিচ্ছে। ‘রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা’ এক্ষেত্রে দুর্বল। দুর্বলতাই বোধকরি স্বেচ্ছাচারিতার জন্ম দিচ্ছে। আমাদের পরিশ্রমী ও যোগ্য দেশপ্রেমিক কৃষক বলতে গেলে আনুপাতিক লভ্যাংশের অনেকাংশ পাচ্ছে না। মাঝে মাঝে তারা মূলা-পেঁয়াজ-কপি-কুমড়া মনের দুঃখে রাস্তায় ফেলে দেয়, প্রতিবাদ করে। কিন্তু কার দুঃখ কে দেখে! এ থেকে তো পরিত্রাণ দরকার। প্রান্তিক কৃষকের ন্যায্য দামের নিশ্চয়তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। কোনো স্বেচ্ছাচারিতা বা রাজনৈতিক কোটারিকে চরমভাবে কাম্যহীন করে তুলতে হবে। এগুলো উন্নয়নের বিপরীত চিত্রও তৈরি করে। সমাজে বিকারগ্রস্ত, ভোগনির্ভর একটি শ্রেণি তৈরি করে। এটা চরম অবমাননাকর, শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষের জন্য। এমন বৈষম্যযুক্ত পীড়ন অনেকটা অসহিষ্ণুতা তৈরি করে (প্রমাণ বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরিতে মাঝে মাঝে জ্বলে ওঠা বিক্ষোভের দাবানল)। কিন্তু এতে করে সুফল কিছু হয় না। হয়তো ওই পেশিসুলভ শ্রেণির হাতে তাৎক্ষণিক কিছু লাভালাভের ব্যাপার ঘটে কিন্তু তা দ্রুতই মিলিয়ে যায়। অপ্রিয় হলেও এমনটা সত্য যে, আমাদের অর্থনীতিতে এখন অনেক অবক্ষয়ী-বিকারগ্রস্ত এমন পরগাছা বেড়ে উঠেছে। প্রায় প্রতিটি জেলা শহর এমনকি উপজেলা পর্যায়েও তা দৃশ্যমান। অনেকক্ষেত্রে তা রাজনৈতিক অসিরূপেও পরিচালন হচ্ছে। জনসমর্থন থাক বা না থাক, তার তোয়াক্কাও তারা করে না। দরকারও হয় না। বিকারসর্বস্ব এই অর্থ-পুঁজির দাপটের উৎস হলো— ভয় আর ত্রাসসুলভ দম্ভ দিয়ে প্রকাশ করা। রাষ্ট্রকেও নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে। যা হোক, নিশ্চয়ই এরা সরকারের উন্নয়নের অংশীদার নয়। কার্যত যে কোনোভাবেই এদের দ্বারা সামষ্টিক উন্নয়নসুলভ কিছু করা সম্ভব নয়। দক্ষ-অর্থনীতির প্রতিবন্ধকতাও তারাই। কাজেই উন্নয়নের ধারাটি এভাবে স্থির সূচক পাওয়া সম্ভব নয়। স্থায়িত্বও তো হবেই না। একইভাবে মনে রাখতে হবে, পুরো আর্থ-ব্যবস্থার ওপরই মানব-সংস্কৃতির আস্থাটিও নির্ভরশীল। আর এমন বিবেচনায় উপরে অমর্ত্য সেনের উদ্ধৃতিগুলো যৌক্তিক বলে মনে করি।

৩.

যেমনটা শুরু করেছিলাম, আমাদের প্রান্তিক মানুষের সার্বিক স্পন্দনটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর কথা। এখন যোগাযোগের সূত্র অনেক। খবর আদানপ্রদান, বিজনেস কন্ট্রাক্ট, পরিবহন যোগাযোগ নানামুখী রকমে বেড়েছে। প্রতিযোগিতাও আছে। যেটা আগেই বলেছি, শ্রমসূত্রে পেশারও বদল ঘটেছে— কৃষক হয়েছে মাছচাষি, মাছচাষি হয়েছে কুল-বাগানের মালিক প্রভৃতি। আর এ প্রক্রিয়াটি তো প্রতিযোগিতামূলক বাজারের ঐক্যবদ্ধ প্রেরণাশক্তি। এ প্রেরণাশক্তির মূল কী? নিশ্চয়ই আর্থিক-উন্নয়নের স্বপ্ন।

প্রজন্মের ভেদ-পার্থক্য তো আছে। প্রজন্মভেদে সেই স্বপ্নও এখন বুঝি তৈরি। কিন্তু কর্ম-অর্থ-ন্যায্যতায় যদি অনৈক্য বাড়ে, বৈষম্য হয় তবে আর অবশিষ্ট কী থাকে! কার্যত তাতে করে শরীরে-স্বাস্থ্যে-মনে নানাদিক থেকে অবনমনই ঘটে। দেশের সিংহভাগ সম্পদ ও সম্পত্তির কেন্দ্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করে ওই প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষ। তারাই উন্নয়নের অনেকাংশ অংশীদার।

এই অংশীদারিত্ব অধিকতর করা না গেলে আর্থনীতিক দক্ষতা আসবে কী করে! ইতোমধ্যে লক্ষ করা  যাচ্ছে, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী গ্রামীণ জনগণের যে প্রজন্ম এখন শিক্ষা পাচ্ছে, দীক্ষা অর্জন করছে— তারাও একধরনের নতুন শ্রেণিস্তরে উঠে আসছে। তারা সম্ভাবনাময়, উঠতি নতুন প্রজন্ম। ওরা যুক্ত হচ্ছে ডিজিটালাইজেশনের সঙ্গে। এই বৃহত্তর যোগ নিশ্চয়ই গ্রামের নিম্নবিত্ত কৃষক শ্রেণির সঙ্গে যুক্ত। এজন্যই তাদের ন্যায্যতার বিষয়টি যৌক্তিক কঠোরতায় অনুভব করা দরকার। আর্থিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সর্বোপরি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতায় এ বিষয়টির স্বীকৃতি বাঞ্ছনীয়। আর এই স্বীকৃতি কীভাবে তারা পাবে? মর্যাদায়, শ্রমমূল্যের ন্যায্যতায় ও তাদের গড়ে ওঠা প্রজন্মের নিরাপত্তায় কিংবা স্বাধীন-সুযোগের সদ্ব্যবহারের নিশ্চয়তায়। এই তো রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য! এর বেশি তো আর কিছু নয়। এটুকু দিতেই হবে। এটা সম্ভব হতে পারে ওই জনসমর্থনহীন পেশিশক্তির বিপরীতে প্রত্যন্তের প্রান্তিক মানুষ যদি ন্যায্য আনুকূল্যটুকু পায়। সেটা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চেতনাদর্শের এই বাংলাদেশে একধরনের ন্যায়নীতির আদর্শও বটে। সরকারের পরিকল্পনামূলক কাঠামোতে এসব এজেন্ডা থাকেই কিন্তু পুরোটা বাস্তবায়ন হয় না। কারণ ওই ‘পরগাছা’ শক্তির সুতোটার শেকড় নানাদিকে ছড়ানো, যেটি শুভ নয়। তাই মানবশর্তে রাষ্ট্রকে অধিকতর সম্ভাবনার পথে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ আগামীতে এই অশুভ ও অন্যায্য শক্তির বিপরীতে ন্যায্যশক্তির অনিবার্যতা তৈরি হবে, ওই নতুনের ডাক তো সেদিকেই।     

লেখক : অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads