• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
ঢাকাকে বসবাসযোগ্য রাখতে হবে

ঢাকা নগরী সম্পর্কে ইআইইউর গত কয়েক বছরের তথ্য নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে

সংগৃহীত ছবি

মতামত

ঢাকাকে বসবাসযোগ্য রাখতে হবে

  • ইউসুফ শরীফ
  • প্রকাশিত ১৭ আগস্ট ২০১৮

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেসব জরিপ-পর্যালোচনা হয়ে থাকে, তার সবই চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা যাবে না। তবে খতিয়ে দেখতে দোষও নেই। বিষয় যদি হয় নিজের দেশের কিছু, তাহলে অনেকাংশে সুবিধাজনক স্থানে দাঁড়িয়ে খতিয়ে দেখার কাজটা করা যেতে পারে। কারণ তখন চোখ খুলে তাকাবার এবং কান খুলে শোনার সুযোগ অনায়াসে পাওয়া যেতে পারে। সুযোগটি গ্রহণ করা হবে কি হবে না, সেটা ইচ্ছা-অনিচ্ছা এবং মন-মানসিকতার ব্যাপার। বিষয়টি নেতিবাচক হলে প্রশ্ন দেখা দেবে— আমরা নেতি থেকে ইতিতে পৌঁছতে চাই কি না। পৌঁছতে চাইলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জরিপ-পর্যালোচনাকে নিজেদের দেখা ও জানাশোনাজাত বাস্তবতার পাশাপাশি রেখে, দেখে মূল্যায়ন করতে হবে। মূল্যায়নের ফলের ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক জরিপ-পর্যালোচনার প্রেক্ষিতকে বিবেচনায় নিতে হবে। অদূর ভবিষ্যতে পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে যেতে না পারে সেজন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হতে পারে। সিদ্ধান্তের নিরিখে বিষয়টির সামাজিক-অর্থনৈতিক-কারিগরি সব দিক খতিয়ে দেখে পরিকল্পিত প্রকল্পও গ্রহণ করতে হবে। তারপর যোগ্য-দক্ষ ও সৎ-নিষ্ঠাবান কর্মীবাহিনী নিয়োগ করে সুষ্ঠুভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে প্রকল্প-ব্যয় যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি প্রকল্পের কাজ মানসম্পন্ন হবে না এবং জনগণ পর্যায়ে প্রকল্পের সুফল পৌঁছতে পারবে না। এসব কোনো অজানা বা নতুন কথা নয়। তারপরও বলতে হয়, ভবিষ্যতেও হয়ত বলতে হবে।

প্রসঙ্গটি যেকোনো বিষয়ের ক্ষেত্রেই আলোচনায় আসতে পারে বা প্রযোজ্য হতে পারে। তথ্য-প্রযুক্তির যত অগ্রগতি হচ্ছে, পৃথিবী তত ছোট হয়ে আসছে এবং কোনো অঞ্চল বা দেশই আর বিচ্ছিন্ন থাকতে পারছে না। অনাহরিত-অব্যবহূত সম্পদের দেশ, জনসংখ্যাধিক্যের দেশ, কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদিত পণ্য রফতানিসহ নানা কারণেই শিল্পোন্নত ধনী দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় ইতি-নেতি দু’রকম জরিপ-পর্যালোচনা পরিচালিত হয়ে থাকে। এজন্য সুষ্ঠু পর্যালোচনা-মূল্যায়ন ছাড়া এ রকম কোনো কিছুই গ্রহণযোগ্য মনে করার কারণ নেই। তবে এক কথায় নাকচ করা সুবিবেচনার কাজ নাও হতে পারে। এ ধরনের জরিপাদি অনুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার জন্য স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের যোগ্য-দক্ষ জনসম্পদ সংবলিত বিশেষ সেল বা বিভাগ থাকা খুবই দরকার। বলার অপেক্ষা রাখে না, সারা বিশ্ব এখন জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে তথ্যের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ছে। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির লড়াই ছিল মোটা দাগের লড়াই আর তথ্যের সঙ্গে তথ্যের লড়াই খুবই চিকন দাগের লড়াই। ন্যূনতম অসতর্কতাও এ লড়াইয়ে একসময় পরাজয় ডেকে আনতে পারে। 

যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক সাময়িকী ইকোনমিস্টের গবেষণা ইউনিট ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের [ইআইইউ] প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকাকে রাখা হয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। এতে গতবারের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়েছে ঢাকা। বিশ্বের ১৪০টি শহরের বসবাসযোগ্যতা নিয়ে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে। এতে অবকাঠামো, স্থিতিশীলতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সংস্কৃতি ও পরিবেশ— এই পাঁচ ধরনের বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা নগরী সম্পর্কে ইআইইউর গত কয়েক বছরের তথ্য নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। এমনো বলা হয়েছে, জরিপের প্রাথমিক তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, তা জানা গেলে বোঝা যাবে জরিপের তথ্য সঠিক, নাকি বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এই জরিপ করা হয়েছে। তবে প্রশ্নের পাশাপাশি পরিবহনসহ কিছু কিছু বিষয়ে ‘অবনতি’র কথাও তারা বলেছেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে উন্নতির কথা বলা হয়েছে। নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকায় জনসংখ্যা যে হারে বাড়ে, সে হারে পৃথিবীর কম শহরেই বাড়ে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে উন্নতিও হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নতির কারণে গাড়ি বাড়ছে, কিন্তু সে তুলনায় রাস্তা বাড়ছে না। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পরিকল্পনা আছে, কিন্তু সেটাকে বাস্তবায়ন করতে হবে। এখানে সরকারের বিরাট ভূমিকা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিশেষভাবে বলতে হয় যে, ঢাকার রাস্তাঘাট ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রয়োজনানুগ উন্নয়ন সাধনের ক্ষেত্রে গত এক দশকে সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নগরীর দুঃসহ যানজট নিরসনে বর্তমান সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তার মধ্যে রাস্তার ব্যাপক সংস্কার, অনেক স্থানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ছাড়াও রাস্তা প্রশস্ত করা, নতুন করে ড্রেন তৈরি করা, যানচলাচল নিয়ন্ত্রণে অনেক জায়গায় রাস্তার সংযোগস্থলে স্টিল বা কংক্রিট ডিভাইডার বসিয়ে লেন তৈরি করার মতো উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফ্লাইওভার নির্মিত হয়েছে। বনানী ফ্লাইওভার এয়ারপোর্ট রোডের সঙ্গে মিরপুর কালশি রোড ও মিরপুর ডিওএইচএস রোডের সংযোগ ঘটিয়েছে। এয়ারপোর্ট রোডের ফ্লাইওভার এই রুটে যানচলাচল সুবিধা বাড়িয়েছে। গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার চট্টগ্রামগামী যানবাহন চলাচলে গতিশীলতা এনেছে। সেই সঙ্গে ডেমরা-সিলেট রোডে শীতলক্ষ্যায় সুলতানা কামাল সেতু অতিরিক্ত সুবিধা যোগ করেছে। মগবাজার ফ্লাইওভার অন্তত পাঁচমুখী যোগাযোগ সহজ করায় বিস্তীর্ণ এলাকার যানচলাচলে সহায়ক হয়েছে। কুড়িল ফ্লাইওভার বিশ্বরোড-বারিধারা-বাড্ডা-গুলশান ছাড়াও পূর্বাচলমুখী যান চলাচল সহজতর করেছে। এদিকে দ্রুতগতিতে চলছে এয়ারপোর্ট থেকে এক্সপ্রেসওয়ে এবং উত্তরা-মিরপুর-মতিঝিল মেট্রোরেলের কাজ। এক্সপ্রেসওয়ে ছাড়াও তিন বছরের মধ্যে চালু হবে মেট্রোরেল, যেখানে প্রতি ঘণ্টায় চলাচল করতে পারবে ৬০ হাজার যাত্রী। 

ফ্লাইওভার ছাড়াও মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণসহ বর্তমান সরকারের নানা কর্মতৎপরতা চলমান রয়েছে। বহুল আলোচিত এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে এসব কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের প্রতি যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর বর্তমান পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি ঘটবে, এটা আশা করা হচ্ছে।

এটাই বাস্তবতা যে, রাজধানী নগরী ঢাকার বয়স চারশ’ বছরই হোক বা আরো বেশিই হোক [কেউ কেউ মনে করেন, বেশি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি] এই নগরীতে নির্মাণের অংশ খুবই কম এবং এখন তা আর বিশেষ দৃশ্যগ্রাহ্যের মধ্যেও নেই। মেগাসিটি হিসেবে এই ঢাকা সুপরিকল্পিতভাবে নির্মিত হতে পারেনি, এটাই এ নগরীর বাস্তবতা। দীর্ঘ সময়ে বিভিন্নকালে প্রয়োজনের নিরিখে বা তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে নগরী গায়ে-পায়ে বিস্তৃত হয়েছে অর্থাৎ গ্রোথ হয়েছে, বিল্ডআপ বলতে যা বোঝায়, ঢাকা তা হয়নি। এ রকম একটি নগরীর বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়া অবাক হওয়ার বা অস্বাভাবিক বিষয় হবে না। তবে জনসংখ্যার দিক দিয়ে যে দেশ বিশেষ ছোট এবং একেবারে গুরুত্বহীন দেশ নয়, সে দেশের রাজধানী নগরী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ার দিকে দ্রুত ধাবিত হতে পারে না।

ঢাকা নগরী ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে গড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় মোগল আমলে বিক্ষিপ্ত কিছু কাজ হয়েছে। এরপর আংশিক কাজ হয়েছে ব্রিটিশ আমলে ছোট পরিসরে। পাকিস্তান আমলে প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে যতটুকু গুরুত্ব সহকারে শহর সম্প্রসারিত হওয়ার কথা ছিল, শাসক মহলের অবহেলায় তা হয়নি। সে সময়ে অল্প কিছু এলাকা গড়ে উঠেছে, যা মোটামুটি পরিকল্পিত। পরবর্তী সময়ে ঢাকা স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ার পর খুব দ্রুত নগরীর যে গ্রোথ শুরু হয়, তা বিশেষ পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছিল না।

যখন যেমন প্রয়োজন, তেমন গড়ে উঠেছে, অর্থাৎ এলানো-ছড়ানো ভঙ্গিতে গ্রোথ হয়েছে। এই গ্রোথ পর্যায়ে রাস্তাঘাটসহ নাগরিক যেসব সুযোগ-সুবিধা অপরিহার্য, সেসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে ভাবা এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করার ব্যাপারটি সুবিবেচনা পেয়েছে, এমন বলা যাবে না। বসবাসের জন্য যারা ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন, তারা এবং নগর-কর্তৃপক্ষও যথেষ্ট সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেনি। এতে একের পর এক নানা অনিবার্য সমস্যা নগরীর কাঁধে চেপে বসেছে। 

ঢাকা নগরীর ভূপ্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্যও এসব ক্ষেত্রে কম দায়ী নয়। চারদিক নদীবেষ্টিত হওয়ায় আজকের বর্ধিত ঢাকা নগরীর বিশাল এলাকাই ছিল কর্দমাক্ত জলাভূমি বা নিম্নাঞ্চল। অতীতে এর ওপরই নগরীর পয়ঃ-পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু-ব্যবস্থাহীন অবস্থায় গড়ে উঠেছে অধিকাংশ এলাকা। রাস্তাঘাটের ক্ষেত্রেও বলতে হয়, নতুন ঢাকার রাস্তারও খুব কম অংশই দীর্ঘ সময়ের চাহিদার কথা ভেবে নির্মিত হতে পেরেছে। দ্রুত বেড়ে ওঠা তৎপরতা অধিকাংশ সময়েই অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনার ফুরসৎ দেয় না এবং কর্ম-উদ্যোগও বাস্তবানুগ পরিচালিত হয় না। এই প্রবণতা সুপরিকল্পিত মজবুত ভিত্তির নগরায়ণের জন্য বাধা হয়ে উঠবে- এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। মহানগরীর ঘরবাড়ি-রাস্তাঘাট সব ক্ষেত্রেই এই বাস্তবতার নেতিবাচক প্রভাব এখনো অনেকাংশে অব্যাহত রয়েছে। মহানগরীর গড়ে ওঠার এই মৌলিক বৈশিষ্ট্যটি সংশ্লিষ্ট সব মহলের মনে থাকলে অনেক সমস্যা থেকে নগরীকে মুক্ত করা এবং মুক্ত রাখার সুপরিকল্পিত কর্ম-উদ্যোগ গ্রহণ এবং তা সফল করা খুবই সম্ভব।

রাস্তাঘাটের যেখানে যে বাস্তবতা, সেখানে সেই পরিস্থিতির নিরিখেই প্রয়োজনীয় বিধিব্যবস্থা গ্রহণ করে যানবাহন চলাচল বা যাতায়াতব্যবস্থা সচল রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে, আশপাশের দেশগুলোতেও এমন অনেক পাহাড়ি শহর আছে, যেখানে রাস্তা মারাত্মক ধরনের আঁকাবাঁকা এবং যানবাহন চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরও সেসব শহরে দুর্ঘটনা-প্রাণহানি আমাদের শহরের সমতল রাস্তার মতো হরদম ঘটতে পারে না। কিন্তু আমাদের দেশের চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমাদের দেশে যানজট-দুর্ঘটনা-প্রাণহানি সৃষ্টির কারণ ও প্রতিকারের বিষয় কি দায়িত্বশীলদের মনে কখনো জেগেছে? জেগে থাকলে দুর্ঘটনা-প্রাণহানি কমিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণে সমস্যা কোথায়? আসলে কথা অনেক হচ্ছে, অনেক কিছু হচ্ছে, কিন্তু যে কাজটি হওয়া দরকার, তা কি হচ্ছে! যানবাহন চলাচলে দায়িত্বশীলতা ও কঠোর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বাস্তবে বলবৎকরণ যে অসম্ভব কোনো বিষয় নয়, এটা প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে তাকালেও স্পষ্ট বোঝা যাওয়ার কথা।

যাক এ-বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে অনেক আলোচনা হয়েছে, এখন যা-ই বলা হোক না কেন, তা এক প্রকার পুনরুক্তিই হবে। উপস্থিত ক্ষেত্রে আমাদের বলার কথা— রাজধানী ঢাকা নগরীকে বসবাসযোগ্য রাখার লক্ষ্যে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে এবং যেসব প্রকল্পের কাজ এখন চলছে, সেসব যথাসময়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে। সর্বোপরি জনসংখ্যা যাতে ঢাকা নগরীকে আরো ভারাক্রান্ত করে তুলতে না পারে, সেদিকটির প্রতিও মনোযোগী হতে হবে। বিভাগীয় শহরগুলোকে অর্থনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রে আরো ভার বহনে সক্ষম করে তোলা যায় কি না, তা-ও এখনই ভেবে দেখতে হবে।

লেখক : কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads