• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
ads
চুরি

খিদেই মানুষকে বাধ্য করে বলবানের কথায় ওঠবস করতে

আর্ট : রাকিব

মতামত

চুরি

  • আবদুল মতিন খান
  • প্রকাশিত ২০ আগস্ট ২০১৮

নিজ থেকে কোনো কিছু কারো কাছে এবং নাগালে আসে না। পেতে হলে হাত বাড়াতে হয়। ঝামেলা দেখা দেয় হাত বাড়ানোর সময়। পৃথিবীতে সব জিনিসেরই মালিকানা আছে। অতি প্রাচীনকালে মালিকানা ছিল না। প্রকৃতির অর্থাৎ জল-স্থলের যেকোনো জিনিস যে কেউ তার প্রয়োজনমতো ব্যবহার করতে পারত। জনসংখ্যা বেড়ে গেলে এ অবস্থা আর থাকল না। মানুষের মধ্যে যারা বলবান তারা যারা বলবান নয় তাদের চেয়ে অধিক প্রাকৃতিক দ্রব্য হস্তগত করল। হস্তগত করার পর দুর্বলদের বলল, তোমাদের খাওয়া-পরার জন্য এগুলো দেব তবে আমি যা বলব তোমাদের তা শুনতে হবে। পেটের চিন্তা মানুষের সব থেকে বড় চিন্তা। পেট ভরে খেলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পেট খালি হয়ে খিদে পেয়ে যায়। খিদেই মানুষকে বাধ্য করে বলবানের কথায় ওঠবস করতে।

বলবান বিষয়টি জানে সে নিজেও ক্ষুধার্ত হয় বলে। তাই খাদ্যসহ সব ভোগ্যবস্তুর ওপর নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর সে দুর্বল অধীনস্থদের ওপর শর্ত চালিয়ে দিতে পারে। শর্ত হলো তার নির্দেশ মতো কাজ করে খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য দুর্বলদের সবাই সংগ্রহ এবং তৈরি করবে এবং বলবান এই ব্যক্তি তার পছন্দমতো তার অধীনস্থদের মধ্যে সেসব বিলিবণ্টন করবে। অর্থনীতির এই হলো সূচনা। অতি প্রাচীন সমাজে অর্থনীতির যে বুনিয়াদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেটাই সামান্য এদিক-ওদিক করে মানব সমাজে আজ পর্যন্ত চালু রয়েছে। যেসব দেশের মানুষ খাদ্যদ্রব্য ও ভোগ্যপণ্য উৎপাদনে রয়েছে পিছিয়ে, অর্থাৎ যেসব দেশে এসবের রয়েছে ঘাটতি, সেসব দেশ উদ্বৃত্ত দেশগুলোর সরকারের কথামতো চলে বা চলতে হয় বাধ্য। বাংলাদেশের খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন কিছুদিন আগ পর্যন্ত সন্তোষজনক ছিল না। অত্যন্ত দ্রুত ছিল জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি। এ দুরবস্থার সুযোগ নিয়ে আধিপত্যবাদী শক্তি খাদ্য ঘাটতি মোটানোকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে তাদের আজ্ঞা ও অবজ্ঞার দাস করে রেখেছিল। সরকারের বাস্তববাদী নীতি অনুসরণের ফলে আধুনিক পন্থায় চাষাবাদ শুরু হওয়ার বছর দুয়েকের মধ্যে দেশ খাদ্যোৎপাদনে দারুণভাবে সফল হয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে এখন খাদ্যাভাব নেই। অল্প যেটুকু আছে তা আমদানি করে পূরণ করা হয়। দেশে তৃণমূল পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বছরের শুরুতে সরবরাহ করায় এবং দেশের আনাচেকানাচে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষিত জনবল তৈরি হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষিত জনবলের দিক থেকে বাংলাদেশ ইউরোপ আমেরিকার থেকেও এখন এগিয়ে। এখন যেটা দরকার তাহলো কারিগরি শিক্ষার প্রসার। টেকনোলজির এ যুগে সাধারণ শিক্ষার চেয়ে টেকনিক্যাল শিক্ষার প্রয়োজন অধিক। কলকব্জা তৈরি ও সেগুলো চালানো এবং বিকল হয়ে পড়লে মেরামতের জ্ঞান সাধারণ মানুষের সবার থাকা দরকার। এদিকে এখন নজর দিতে হবে। দেশের হাই স্কুলগুলোতে টেকনিক্যাল বিদ্যা শেখার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এটা করতে কয়েক বছর সময় লাগলেও এদিকে এখন নজর দেওয়া জরুরি। কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের জন্য নয় বিদেশে শ্রমিক পাঠিয়ে বিদেশি মুদ্রা অধিক মাত্রায় পেতেও টেকনিক্যাল শিক্ষায় শিক্ষিত শ্রমিক তৈরি দরকার। এ ব্যাপারটা কানার ভাই অন্ধও এখন বোঝে। ভারতীয়রা মধ্য ও নিকট প্রাচ্য থেকে যে বিপুল বিদেশি মুদ্রা কামায় তার কারণ ভারত ওইসব দেশে কারিগরি বিদ্যায় ডিগ্রিপ্রাপ্তদের কেবল পাঠায়, বাংলাদেশের মতো অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিতদের পাঠায় না।

বর্তমানে উত্তর আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ, জাপান ও পূর্ব এশিয়ার অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং বাংলাদেশের কাছের মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশে শ্রমমূল্য ভালো হওয়ায় বাংলাদেশের যুবক-যুবতীরা এসব দেশে যেতে বিশেষভাবে আগ্রহী। এর জন্য তারা তাদের বা তাদের বাপ মায়ের শেষ সম্বল (একটু জমি) বিক্রি করে ওইসব দেশে যায়। বিদেশে যাওয়া সহজ কথা নয়, বিশেষ করে ভালো মজুরির চাকরি পেতে। এটা ধুরন্ধরদের জানা থাকায় তারা সরলমনাদের নানা লোভনীয় কথায় ভুলিয়ে তাদের বিদেশে পাঠায়। বিদেশে পৌঁছে তারা দেখতে পায় প্রতারিত হয়েছে। যে মজুরি পাওয়ার কথা, তার অর্ধেকও তাদের দেওয়া হয় না। মানবেতর অবস্থায় তাদের বনে-জঙ্গলে দিন কাটে। দেশেও ফিরতে পারে না, যেহেতু বিদেশে পৌঁছার পরই তাদের পাসপোর্ট নিয়ে নেওয়া হয় নিরাপদে রাখার অজুহাতে।

আদম বেপারি বলে পরিচিত এসব বাটপাড় কেবল নয়, ধোপদুরস্ত কাপড়ের হরেক প্রতারক সরল কর্মজীবীর পরিশ্রমে অর্জিত আয়ের একটা অংশ হাতিয়ে নিতে তৎপর রয়েছে আমাদের দেশে। এদের এই হাতিয়ে নেওয়া আকার ভেদে চুরি, ডাকাতি এবং ছিনতাই। চুরি হলো না বলে সরানো, ডাকাতি হলো বল প্রয়োগ দ্বারা কেড়ে নেওয়া আর ছিনতাই হলো অচমকা কেড়ে নেওয়া। নানাভাবে আত্মসাতের কাহিনী প্রতিদিন কাগজে ছাপা হয় এবং টিভি পর্দায় দেখানো হয়। রাজনীতি পানসে হয়ে যাওয়ায় সম্প্রচার মিডিয়াগুলো অধুনা এগুলো নিয়েই তাদের স্টোরি তৈরি করে।

বাজার অর্থনীতিতে থাকে দুটো পক্ষ- মালিক ও শ্রমিক। মালিক হওয়া বা বনা সহজ কাজ নয়। প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে পারলে তবেই মালিক হওয়া যায়। মালিকের ভূমিকা হলো বিপুল অর্জন ও বিনিয়োগ। একজন উদ্যোগী ব্যক্তি প্রচুর শ্রম দিয়ে অর্জন করতে পারে। আবার কৌশল খাটিয়েও অর্জন করতে পারে। অর্জনের এই সময়টায় তার ভূমিকা শ্রমিকের। অর্জনের পর যখন সে বিনিয়োগে যায়, অর্থাৎ কলকারখানা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যখন গড়ে তখন সে হয়ে যায় মুনাফাখোর। মুনাফা যত সে বাড়াতে পারে, তত বাড়ে তার পুঁজি। মুনাফাবৃদ্ধি হয়ে পড়ে তার ধ্যানজ্ঞান।

মুনাফা কোথা থেকে আসে সেটা বুঝলেই পুঁজিবৃদ্ধির বিষয়টি পরিষ্কার হয়। প্রথমে উৎপাদন ও পরে তা বিক্রি থেকে আসে মুনাফা। উৎপাদন হয় কলকারখানায়। কলকারখানা পুঁজিপতি বা মালিক একা চালাতে পারে না। চালাবার জন্য তাকে শ্রমিক নিয়োগ করতে হয়। জটিল মেশিন দ্বারা উৎপাদন হলে কারিগরি বিদ্যায় উচ্চ ডিগ্রিপ্রাপ্ত শ্রমিক নিয়োগ দিতে হয়। একে বা এদের সহায়তা করতে নিয়োগ দিতে হয় সাধারণ শ্রমিক। এদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে লাগে উচ্চ শিক্ষিত ও শিক্ষিত ব্যবস্থাপনা এবং বাজার বিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন শ্রমিক। এসব শ্রমিকের শ্রমের ফসল হলো মালিক বা পুঁজিবাদীর মুনাফা। এই মুনাফা অর্জনের পুরোটাই শ্রমিকের কৃতিত্ব। কিন্তু মালিক বা পুঁজিপতি শ্রমিককে দেয় তাদের দ্বারা উৎপাদনের ক্ষুদ্র একটা মাত্র ভাগ। উৎপাদনের এই ভাগ শ্রমিকের পাওয়া নির্ভর করে সে কোন অর্থনীতির অধীন তার শ্রমবিক্রি করে। অর্থনীতি যত অনুন্নত হবে শ্রমিক তার উৎপাদিত মূল্যের তত কম পাবে। অনুন্নত অর্থনীতির শ্রমিককে তার মালিক দেবে উৎপাদিত মূল্যের, ধরা যাক- পাঁচ শতাংশ। অবশিষ্ট পঁচানব্বই শতাংশ মালিক আত্মসাৎ করবে। এই পঁচানব্বই শতাংশ হলো মার্কস-এঙ্গেলসের মতে, উদ্বৃত্তমূল্য। মালিক কর্তৃক উদ্বৃত্তমূল্য শোষণ বা আত্মসাৎই হলো বাজার অর্থনীতি বা পুঁজিবাদের শোষণ।

মার্কস-এঙ্গেলসের সময় পুঁজিপতিদের উদ্বৃত্তমূল্য শোষণ ছিল লাগাম ছাড়া। শ্রমিকরা কীভাবে শোষিত হচ্ছে সে জ্ঞানও তাদের ছিল না। তারা খাটাত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কখনো ১৮ ঘণ্টা। খাটতে খাটতে খাদ্যাভাবে অপুষ্টিতে ভুগে তারা মারা যেত। কখনো বিদ্রোহ করলে বা ধর্মঘট করলে পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে ও গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করা হতো। মার্কস-এঙ্গেলস উদ্বৃত্তমূল্য ও তার শোষণের ধারণা দিয়ে শ্রমিক আন্দোলনে শৃঙ্খলা আনেন। পুঁজিপতি ও মালিক পক্ষও উৎপাদনের বিজ্ঞানসম্মত ধারণা পেয়ে তাদের শোষণের মাত্রা কমিয়ে শ্রমিকদের অনুকূলে উদ্বৃত্তমূল্যের পারসেন্টেজ বাড়াতে থাকে। তাতে তাদের কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভালোভাবে চলতে থাকে। হালে বাজার অর্থনীতির দেশগুলোতে শ্রমিকরা ভালো বেতন পায়। বেতন বেশি হওয়ায় তাদের ভোগ্যপণ্য কেনাকাটাও বেশি হয়। অর্থনীতি সচল থাকে।

বাংলাদেশে উদ্বৃত্তমূল্য শোষণ যেটা হয় সেটা তার পণ্য ইউরোপ আমেরিকার বায়ার বা ক্রেতাদের অতি নিম্ন দরে কেনায়। বাংলাদেশের কারখানা মালিকরা উচ্চ অর্থনীতির ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষিতে দুর্বল। ফলে বাংলাদেশের শ্রমিক অতি নিম্ন মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হয়। হালে তারা বহু আন্দোলনের পর একটা নিম্নতম মজুরি আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। এ মজুরি ইউরোপ আমেরিকা জাপানের নিম্নতম মজুরির ধারেকাছেও নয়। বাংলাদেশের শ্রমিককে নিম্নতম, ঠিক বললে, নামমাত্র মজুরি নিতে বাধ্য করার হেতু হলো চুরি। শুধু চুরি নয়, ডাকাতি ও ছিনতাই একসঙ্গে। ইউরোপ আমেরিকার বায়াররা এর দ্বারা তাদের স্বদেশের ক্রেতাদের অল্প দামে এসব পণ্য দিতে পারে। তারা তাদের ক্রেতাদের সঙ্গেও প্রতারণা করে। বাংলাদেশ থেকে তারা এক ডলারের কম দামে একটা পণ্য কিনে নিয়ে তাদের ক্রেতার কাছে বিক্রি করে পাঁচ ডলারে। তাদের ক্রেতা পাঁচ ডলারে কিনতে পেরে খুশি যেহেতু ওই পণ্য তাদের দেশের তৈরি হলে কিনতে হতো পঁচিশ ডলারে।

মানব সমাজে যত দিন প্রবল দুর্বল থাকবে তত দিন বলবান কর্তৃক দুর্বলের ওপর থাকবে নির্যাতন অত্যাচার। এ অবস্থার অবসান কবে হবে হলপ করে কেউ বলতে পারে না। যুগে যুগে মহাপুরুষরা এ অবস্থাকে দুর্বলের জন্য সহনীয় করতে বহু কিসিমের ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। নিয়মিত আরাধনা, দেহকে সংযত রাখাতে নিরম্বু উপবাস থেকে ব্যায়াম প্রভৃতির বিধান দিয়ে এবং পরলোকে সুখী বেপরোয়া ভোগের জীবন ইত্যাদির লোভ দেখিয়ে মানুষকে অতিরিক্ত ভোগ ও অন্যায্য শোষণ থেকে পাশের মানুষদের রেহাই দিতে উৎসাহিত করেছেন। এর দ্বারা দু’চারজন বিবেকবান প্রভাবিত হলেও অবশিষ্ট লাখ লাখ কেউ সাড়া দেয়নি।

বাংলাদেশে সহজ উপার্জনের একটি হলো পরিবহন ব্যবসায়। ঢাকায় এবং ঢাকা থেকে দেশের সর্বত্র চলাচলকারী বাসগুলো বাইরে থেকে দেখতে মোটামুটি ভালো হলেও এর ইঞ্জিন ও চালক নিম্নমানের। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে ট্রাফিক আইন ও মোটরযানের ইঞ্জিন বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষার যে বাধ্যবাধকতা আছে তার কিছুরই তোয়াক্কা না করে হাইওয়ে ও ঢাকায় চলাচলকারী বাসগুলোর চালকদের ঘুষের বিনিময়ে লাইসেন্স দেওয়া হয়। এরা বাস চালাবার যোগ্য না হওয়ায় প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনা বস্তুত নরহত্যা ছাড়া কিছু নয়। এর পেছনে অলক্ষ্যে ক্রিয়াশীল থাকে অর্থচুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই। যাত্রীরা এর শিকার। বাজার অর্থনীতিতে এর থেকে রেহাই নেই। প্রবল ছাত্র আন্দোলনের কারণে কর্তৃপক্ষ কিছুদিন বাস-ট্রাক চালনায় কঠোরতা দেখাবে। কিন্তু যাত্রীদের ওপর চুরি, ডাকতি, ছিনতাই জারি থাকবে বলে যাত্রীমৃত্যু বন্ধ হবে না। শ্রেণিগতভাবে বাস মালিক ও সরকার পরিচালকরা অভিন্ন হওয়ায় অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন হবে না।

চুরি বা ডাকাতির উৎকৃষ্টতম উদাহরণ হলো ভ্যাট। সরকারের পক্ষে এই কাজটি সংগ্রহ করে বিক্রেতা। বিক্রেতা ভ্যাট কতটা সংগ্রহ করল সরকারের পক্ষে তা আন্দাজ করা সম্ভব, জানা সম্ভব নয়। এর সুযোগ নিয়ে বিক্রেতা অঢেল কামায়। বিক্রেতাকে অঢেল কামাইয়ের ভ্যাট নামক এই অস্ত্রটি উপহার দিয়েছিলেন বিএনপির অর্থমন্ত্রী প্রয়াত সাইফুর রহমান। তিনি ধারণাটি পেয়েছিলেন বিশ্বব্যাংকে চাকরি করার সময়, বিশ্বব্যাংক থেকে। এটা চুরির একটা উৎকৃষ্ট কৌশল।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads