• শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮, ৫ কার্তিক ১৪২৫
ads
পয়েন্ট ভিত্তিতে ৪টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে লাইসেন্স

যোগ্যতাক্রমে ৯১ নম্বর পেয়ে প্রথম হয় ইডটকোর কনসোর্টিয়াম

ছবি : ইন্টারনেট

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিং

পয়েন্ট ভিত্তিতে ৪টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে লাইসেন্স

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১০ আগস্ট ২০১৮

কর্মযোগ্যতা, কোম্পানি মূলধনসহ বেশ কয়েকটি বিষয় মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রাপ্ত পয়েন্টের মাধ্যমে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিংয়ের ব্যবসার লাইসেন্স দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি। ৫ আগস্ট কমিশনের বিশেষ সভায় আবেদনকৃত ৮টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন মূল্যায়নে গঠিত ১৫ সদস্যের কমিটি মূল্যায়ন শেষে এ লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

লাইসেন্সের জন্য মনোনীত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগ্যতাক্রমে ৯১ নম্বর পেয়ে প্রথম হয় ইডটকোর কনসোর্টিয়াম। এই প্রতিষ্ঠানের দেশীয় অংশীদার গ্রিনকর টাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং বিদেশি অংশীদার ইডটকো গ্রুপ। ৮৮ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে টিএএসসি সামিট টাওয়ার। যার দেশীয় অংশীদার সামিট কমিউনিকেশন লিমিটেড এবং বিদেশি অংশীদার টিএএসসি টাওয়ার এবং গ্লোবাল হোল্ডিং করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেড।

এদিকে তৃতীয় অবস্থানে থাকা আইএসওএন টাওয়ার বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড (কীর্তনখোলা টাওয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড) পেয়েছে ৮৫ নম্বর। এই কনসোর্টিয়ামে দেশীয় অংশীদার কনফিডেন্স টাওয়ার হোল্ডিং লিমিটেড ও বিদেশি অংশীদার ইসিপি টাওয়ার সিঙ্গাপুর লিমিটেড। আর ৮২ নম্বর পেয়ে ৪র্থ অবস্থানে থাকা এবি হাইটেক কনসোর্টিয়াম লিমিটেডের দেশীয় অংশীদার এডিএন টেলিকম, এবি হাইটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, জেডএন এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, সেনার্জি লজিস্টিক লিমিটেড, অরেঞ্জ ডিজিটাল লিমিটেড এবং বিদেশি অংশীদার রয়েছে চায়না কমিউনিকেশন সার্ভিসেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং চ্যাংসু ফেনগফ্যান পাওয়ার ইকুইপমেন্ট কো. লিমিটেড।

এ ছাড়া যমুনা টাওয়ার লিমিটেড পায় ৮০, এফটিএ বাংলাদেশ লিমিটেড ৭৫, বিডি টাওয়ার বিজনেস কো. লিমিটেড ৬৯ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিকমিউকেশন কোম্পানি লিমিটেড কোনো নম্বর না পেয়ে (বিদেশি কোনো অংশীদার না থাকায়) অষ্টম অবস্থানে যায়।

জানা যায়, মূল্যায়ন কমিটি প্রদত্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম চারটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স ইস্যুর জন্য বিবেচনার সুপারিশ করলে কমিশন এ সুপারিশ গ্রহণ করে। এ চারটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে লাইসেন্স প্রদানে সরকারের পূর্বানুমোদন নিতে কমিশনের সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে তৃতীয় পক্ষ কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মোবাইল ফোন টাওয়ার ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি। এজন্য তখন একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হয়। তাতে দুটি কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরে বিটিআরসির সবশেষ কমিশন বৈঠকে দুটির পরিবর্তে চার কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। যেখানে টাওয়ার পরিচালনায় যোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে ‘বিউটি কনটেস্ট’ পদ্ধতি অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে চলতি বছর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্স নীতিমালা এবং ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) নীতিমালা অনুমোদন পায়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads