• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

বাংলাদেশ

রাষ্ট্রায়ত্ত আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৬ জানুয়ারি ২০১৮

 


গত ১২ জানুয়ারি রাষ্ট্রায়ত্ত আট ব্যাংকে অফিসার পদে নিয়োগের জন্য নেয়া সমন্বিত পরীক্ষাটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আসন স্বল্পতা ও প্রশ্নপত্র প্রদানে বিলম্ব সহ আরো নানান অভিযোগের তোপে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির জরুরি বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কমিউনিকেশনস অ্যান্ড পাবলিকেশনস বিভাগের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “আজকের মিটিংয়ে ওই পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরীক্ষা কবে হবে তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।”

এদিকে, গতকাল সোমবার আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দুইজনকে দৈনিক বাংলা মোড় থেকে আটক করে পুলিশ। এরপর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, ১২ ঘন্টার মধ্যে ঐ দুইজনকে মুক্তি না দেওয়া হলে এবং ১২ জানুয়ারির পরীক্ষা বাতিল না করলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবে। এই পরিস্থিতিতে গভর্নর ফজলে কবির মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি এবং ১৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের জরুরি বৈঠক ডাকেন। আজ দুপুরে ঐ বৈঠক শেষে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা দিলে শাহবাগে উল্লাসে ফেটে পড়ে আন্দোলনরত চাকরি প্রত্যাশীরা। সেখানে তারা নিজেদের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করে বলে খবর এসেছে সংবাদ মাধ্যমে।

গত শুক্রবার রাজধানীর ৬১টি কেন্দ্রে এই নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হলেও আসন স্বল্পতার কারণে গণ্ডগোলে মিরপুরের দুটি কেন্দ্রের সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থী সেদিন পরীক্ষা দিতে পারেননি। অন্যান্য কেন্দ্রেও প্রশ্নপত্র দেরিতে পৌঁছানোসহ নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া যায়।

আবুল কালাম আজাদ জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে আসন বিড়ম্বনার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক-১ আহমেদ জামালের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তাতে সোনালী, জনতা, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জিএম থাকবেন সদস্য সচিব হিসেবে। কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত আট ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার, অফিসার ও ক্যাশ অফিসারের মোট ৭ হাজার ৩৭২টি শূন্য পদে নিয়োগের এ পরীক্ষায় আবেদন করেছিল পৌনে ১১ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী। সমন্বিত এই নিয়োগ পরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগকে।

অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তাদের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন ও ব্যাখ্যা পাওয়ার পর পরীক্ষার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads