• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
সড়কের ঝক্কি এড়াতে কমলাপুরে ভিড়

কমলাপুর রেলস্টেশনে উপচেপড়া ভিড়

সংগৃহীত ছবি

যোগাযোগ

১৫ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ

সড়কের ঝক্কি এড়াতে কমলাপুরে ভিড়

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৩ জুন ২০১৮

সড়কপথের যানজট ও দুর্ভোগ এড়িয়ে ঈদে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যেতে ট্রেনই নিরাপদ বাহন হিসেবে মনে করছেন যাত্রীরা। আর তাই ১৫ ঘণ্টা আগে লাইনে দাঁড়িয়ে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করেছেন তারা।

টিকেট বিক্রির দ্বিতীয় দিনে গতকাল শনিবার কমলাপুর রেলস্টেশনে সকাল থেকেই ছিল উপচেপড়া ভিড়। গতকাল টিকেট বিক্রি করা হয় ১১ জুনের জন্য। নির্ধারিত সময় সকাল ৮টা থেকে টিকেট বিক্রির কাউন্টার খুলেছে। আর টিকেট প্রত্যাশীদের অনেকে লাইনে এসে দাঁড়িয়েছেন শুক্রবার বিকাল ৫টায়। এই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে লাইনে ইফতার এবং সাহরি সেরেছেন যাত্রীরা। আর শুয়ে-বসে পার করেছেন সময়। আবার কেউ কেউ খেলেছেন দাবা ও কার্ড।

পাবনার ঈশ্বরদী যাওয়ার জন্য সুন্দরবন এক্সপ্রেসের টিকেট নিতে এসেছিলেন মালিবাগের রানা। তিনি বলেন, শুক্রবার বিকাল ৫টায় লাইনে দাঁড়াই। শনিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে কাঙ্ক্ষিত এসি টিকেট হাতে পাই। শুক্রবারের ইফতার ও রাতের সাহরিও তিনি এখানে করেছেন বলে জানান।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা যাওয়ার জন্য টিকেট নিতে এসেছিলেন এমডি শাকিল নামে এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এত যুদ্ধ করে তিনি কেন টিকেট সংগ্রহ করেছেন- জানতে চাইলে শাকিল বলেন, একটু কষ্ট হলেও লাইনে দাঁড়িয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের চারটি টিকেট সংগ্রহ করেছি। কিন্তু সড়কপথে যেতে দীর্ঘ যানজটে আমার মা-বাবা ও বোন অনেক বেশি কষ্ট পেত। এখন ট্রেনে যানজট ও ঝামেলামুক্তভাবে আমরা পরিবারের চারজন বাড়িতে যেতে পারব।

কমলাপুরে পুরুষের চেয়ে নারীদের জন্য নির্ধারিত লাইনের যাত্রীরা টিকেট পাচ্ছেন সহজে। ভিড় তুলনামূলক কম থাকায় ভোরে এসে লাইনে দাঁড়ালেও সহজেই টিকেট মিলছে। রাজশাহী যাওয়ার জন্য সিল্কসিটি এক্সপ্রেসের টিকেট নিতে শনিবার ভোর ৪টায় এসে লাইনে দাঁড়ান গৃহিণী শাহিনা। তিনি জানান, টিকেট পেতে কোনো সমস্যা হয়নি। দ্রুত টিকেট পেয়ে খুব খুশি হয়েছেন তিনি।

এদিকে, যাত্রীদের টিকেট পেতে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য রেলওয়ের নিরাপত্তাকর্মী ছাড়াও পুলিশ ও র‍্যাব কমলাপুর রেলস্টেশনে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads