• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

ধান ভাঙাতে এখন আর চালকলে যেতে হয় না। ভ্রাম্যমাণ কলেই বাড়ির আঙিনায় ধান ভাঙানোর এ দৃশ্য ভোলার চরফ্যাশনের চর কুকরিমুকরি গ্রামের

মিজানুর রহমান খান

অর্থনীতি

পিছিয়ে নেই গ্রাম

  • আলতাফ মাসুদ, সাইদ আরমান ও জাহিদুল ইসলাম
  • প্রকাশিত ০৩ মার্চ ২০১৮

ঝালকাঠির তারাবুনিয়া গ্রামের হেলেনা বেগম। এসএসসি পাসের পরই এক রক্ষণশীল পরিবারে বিয়ে হয়ে যায় তার। তবে হতে চাননি অন্যদের মতো ঘরকুনো। বিয়ের আট বছর পর আংটি বেচে কেনেন সেলাই মেশিন। এরপর শুরু তার স্বপ্নযাত্রা। নারীদের মোবাইল ব্যাগসহ হস্তশিল্পের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি শুরু করেন। সেগুলো পাঠাতে থাকেন ঢাকায় আড়ংয়ের মতো নামকরা দোকানে। চাহিদা বাড়ায় এলাকার নারীদের কাজে লাগান। কয়েক বছরের মধ্যেই সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন তিনি। এতে জেলা ও উপজেলায় ‘জয়িতা’ ভূষিত হয়েছেন হেলেনা।

রংপুরের গজঘণ্ট এলাকার ইব্রাহিম খলিল। বিয়ের পর স্ত্রী ঝলক সিকদারকে নিয়ে আসেন ঢাকায়। তিনি যে কারখানায় কাজ করতেন সেখানে আট হাজার টাকা বেতনে চাকরি হয় স্ত্রীরও। মাসের খরচ শেষে যা থাকত তা ব্যাংকে সঞ্চয় করতে থাকেন তারা। ২০১৩ সালে সঞ্চয়ের টাকা তুলে নেন। গহনাও বেচে দেন। এরপর ঢাকা ছেড়ে চলে যান বাড়ি। স্যুয়েটার কারখানা দেন রংপুরের বুড়িরহাটে। আড়াইশ’ কর্মী এখন কাজ করছেন তাদের কারখানায়। মাসে ৩০ হাজার স্যুয়েটার তৈরি হয় সেখানে। সেসব রফতানিও হচ্ছে।

আরেক সাহসী নারী নূরুন্নাহার। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে তার বাড়ি। স্বামী কাজে গেলে অলস বসে থাকতে ভালো লাগত না তার। টিভিতে কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে তার ইচ্ছা জাগে বসতবাড়ির আশপাশে শাক-সবজি ও ফলমূলের বাগান করার। সেই শুরু। প্রাথমিকভাবে পরিবারের চাহিদা মেটাতে চাষ শুরু করেন। একটা সময়ে এসব সবজি থেকে আয়ও হতে থাকে। প্রথম দিকে স্বামী অসন্তুষ্ট থাকলেও দমে যাননি নূরুন্নাহার। ধৈর্য, সাহস ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন একটি কৃষি খামার। ওই খামারে এবার চার বিঘায় লাউ আবাদ করে সফল হয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে আড়াই লাখ টাকা আয় হয়েছে। নূরুন্নাহার তার সংসারে শুধু সচ্ছলতা আনেননি, গ্রামের নারীদের সংগঠিত করে তাদের ভাগ্য উন্নয়নে গঠন করেছেন সমবায় সমিতিও। সেই সমিতির সদস্যসংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।

আইরিন বেগম। নিভৃতচারী এক সফল নারী উদ্যোক্তা। যার হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ২০ হাজার নারী। স্কুলের গণ্ডিও পেরুনো হয়নি তার। প্রাইমারিতেই বন্ধ হয়েছিল পড়াশোনা। তবে রূদ্ধ হয়নি চিন্তার গতিধারা; তা আরো উসকে দেয় মুক্তমনা স্বামীর আস্কারা। এরই জেরে আজ দেশের নকশিকাঁথা শিল্পের ইতিহাসই বদলে দিচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কালীনগর গ্রামের এই নারী। নিজ বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ নকশিকাঁথার আড়ত ও বিক্রয় কেন্দ্র।

হেলেনা, ইব্রাহিম, নূরুন্নহার ও আইরিনের মতো অনেকেই এখন সফল উদ্যোক্তা। এ ধরনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াসে সমৃদ্ধ হচ্ছে গ্রাম। তাদের পাশাপাশি কৃষক, চাকরিজীবী, ক্ষুদে ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের পাঠানো অর্থেও হচ্ছে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান। এতে বাড়ছে কর্মসংস্থান। শহরের মতো সব সুযোগ-সুবিধা না থাকলেও এখন আর পিছিয়ে নেই গ্রাম। এসব কারণে জাতীয় অর্থনীতিতে বাড়ছে গ্রামের অবদান।

গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণ হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) একটা সময় কৃষি খাতের প্রাধান্য থাকলেও সময়ের পরিবর্তনে তা আর নেই। জাতীয় অর্থনীতির আকার বাড়ার তুলনায় কৃষির অগ্রগতি হয়নি। আর গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ায় সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও চলে গেছে গ্রামবাসীর দোরগোড়ায়।

স্বাধীনতার পর গত কয়েক দশকে গ্রামীণ অর্থনীতির চরিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। গত চার দশকে কৃষির উৎপাদন বাড়লেও জমি স্বল্পতায় তা বাধা পড়েছে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে। যদিও এখনো কৃষি গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি, তারপরও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে শিল্প। ক্রমেই শিল্পের প্রসার ঘটছে গ্রামে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ২২ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৬টি এবং গ্রাম ঘিরে পরিচালিত হচ্ছে ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার প্রতিষ্ঠান। এ হিসাবে মোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ৭১ দশমিক ৪৮ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে। শহর ঘিরে বছরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ৩২ শতাংশ ও গ্রামাঞ্চলে প্রায় ৮ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলের এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় কোটি লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে বলেও প্রতিবেদনটিতে উঠে এসেছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে ৫ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার শিল্প, সেবা ও কৃষি খাতে যুক্ত। এর মধ্যে সর্বাধিক ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ কৃষিতে। আর ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ সেবা ও ২০ দশমিক ৫ শতাংশ শিল্পে। দেশের মোট কর্মসংস্থানের মধ্যে শহরাঞ্চলে ১ কোটি ৬৫ লাখ ও গ্রামাঞ্চলে ৪ কোটি ৩০ লাখ। এ হিসাবে গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থান হয়েছে ৭২ দশমিক ২৭ শতাংশ।

শুধু কৃষি কিংবা শিল্পে কর্মসংস্থান নয়, গ্রামীণ জীবন পাল্টাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয়ও। পরিসংখ্যান না থাকলেও প্রবাসীদের উল্লেখযোগ্য অংশের শিকড় গ্রামেই। ফলে প্রবাসী আয় যাচ্ছে তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে, যা চাঙ্গা করেছে গ্রামীণ অর্থনীতিকে। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সঞ্চয় করতে পারছেন। এতে জাতীয় অর্থনীতিতে তাদের অবদান বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, ধারাবাহিকভাবে ব্যাংকগুলোতে গ্রামের মানুষের আমানত বেড়েছে। ২০০২ সালে ব্যাংকে তাদের সঞ্চয় (আমানত) ছিল ১৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা, যা ২০১৭ সাল শেষে দাঁড়ায় ১ লাখ ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ১৫ বছরে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা সঞ্চয় বাড়িয়েছেন তারা। অবশ্য সঞ্চয় বাড়লেও শহরের মানুষের চেয়ে কম ঋণ পাচ্ছেন গ্রামের মানুষ। গ্রাম থেকে সংগৃহীত আমানতের বিপরীতে ব্যাংকগুলো মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ঋণ দিয়েছে, যেখানে শহরে আমানতের ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালে শহর থেকে ব্যাংকগুলোর আমানত সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

গ্রামের মানুষকে আর্থিক সেবা দিতে নীতি সংস্কার করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য শহরে একটি শাখা খুললে গ্রামেও আরেকটি খোলার বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া অর্থ লেনদেন আরো সহজ করতে মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা নিয়ে এসেছে ব্যাংকগুলো। এতে গ্রামের মানুষ এখন সহজেই অর্থ লেনদেনের সুযোগ পাচ্ছেন। বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাসে প্রায় হাজার কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক ৫ কোটি ৭০ লাখ। এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে চালু থাকা ৩ কোটি ৭০ লাখের বড় অংশই গ্রামের গ্রাহকের।

শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, অবকাঠামো উন্নয়নের সুবিধাও ভোগ করছেন গ্রামের মানুষ।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে বাংলাদেশের ৩৭ শতাংশ মানুষ বসতবাড়ির দুই কিলোমিটারের মধ্যে উন্নত সড়ক ব্যবহারের সুযোগ পেত। ২০১৫ সালে এ সুবিধাভোগীর হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬ দশমিক ৭০ শতাংশ। প্রতিবেশী নেপালে ৫৪ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ উন্নত সড়কের সুবিধা পাচ্ছে। আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় এ হার মাত্র ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। উন্নত সড়ক ব্যবস্থার সূচকে কেনিয়া, মুজাম্বিক, তানজানিয়া, উগান্ডা, জাম্বিয়াসহ অনেক দেশের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ড. শামসুল আলম বাংলাদেশের খবরকে বলেন, ‘শুরু থেকেই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। সম্প্রতি এ খাতে প্রবৃদ্ধি কমছে। গ্রামাঞ্চলে শিল্পের বিস্তার হওয়ায় কৃষিনির্ভরতা কমছে। অবকাঠামো উন্নয়নের সুবাদে এখন গ্রাম থেকে সহজেই শহরে পণ্য পরিবহন করা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতি ধরে রাখতে পারলে শহরমুখী মানুষের স্রোত কমবে।’

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, পল্লী এলাকার দারিদ্র্য দূর করতে কিছু বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে চলে আসা ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২০ সাল পর্যন্ত। সর্বশেষ সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ১০ কোটি টাকা। এর সুফল ধরে রাখতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক গঠন করেছে সরকার।

পল্লী অঞ্চলে শিল্পায়ন উৎসাহিত করতে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় রয়েছে বেশ কিছু উদ্যোগ। এর অংশ হিসেবে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের সব গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে। গ্রামে নাগরিক জীবনের স্বাদ দিতে ‘পল্লী জনপদ নির্মাণ’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় সমবায়ভিত্তিক বহুতল ভবন হবে। পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগে একটি করে মোট ৭টি এলাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

শিল্পায়নে জমি সমস্যার সমাধানে দেশব্যাপী ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে প্রাধান্য পাচ্ছে পল্লী অঞ্চল। অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৮ হাজার কোটি টাকা। হাওর অঞ্চলের বন্যা ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া প্রকল্পে ব্যয় হবে ৯৯৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। উত্তরাঞ্চলে দরিদ্রদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের পাশাপাশি কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সারা দেশের স্থূল জন্মহার প্রতি হাজারে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। এর মধ্যে পল্লী অঞ্চলে ২০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং শহরে প্রতি হাজারে ১৬ দশমিক ১ শতাংশ। স্থূল মৃত্যুহার সারা দেশে প্রতি হাজারে ৫ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে শহরে ৪ দশমিক ২ শতাংশ ও গ্রামে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে পল্লী ও শহর অঞ্চলে মৃত্যুর হার ২৮ শতাংশ।

শিক্ষা ক্ষেত্রেও অনেক এগিয়েছে গ্রাম। দেশে সাত বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে শিক্ষার হার ৭১ শতাংশ। এর মধ্যে গ্রামে ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং শহরে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ। দেশে ১৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে শিক্ষার হার ৭২ দশমিক ৩ শতাংশ। এর মধ্যে গ্রামে ৬৫ দশমিক ৪ এবং শহরে ৮০ দশমিক ৭ শতাংশ।

১৯৭৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সময়ে পল্লী এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ ছিল ৭৪ লাখ। বর্তমানে এ সংখ্যা ২ কোটি ১২ লাখে উন্নীত হয়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫৭ উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। চলতি মার্চ মাসে আসবে আরো ৮৪ উপজেলা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৪৬০ উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।

অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় পল্লী অঞ্চলে দ্রুত শিল্পায়ন যেমন হচ্ছে, তেমনি সেখানে যাচ্ছে শহরের মতো অনেক সেবাও। সুযোগ-সুবিধার সব হিসাব না মিললেও অনেকেই গ্রামীণ জীবনের স্বাদ পেতে পল্লী অঞ্চলে নির্মাণ করছেন নান্দনিক বাড়ি, যাতে শেষ জীবনটা নির্মল শান্তিময় পরিবেশে কাটে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads