• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
জেলার দর্শনীয় স্থান

রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি

সংগৃহীত ছবি

ফিচার

জেলার দর্শনীয় স্থান

  • প্রকাশিত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নূর হোসেন মামুন ও রাঙামাটি প্রতিনিধি

শিলার ডাক : শুভলং ঝরনা। রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার ঘাট থেকে ভাড়ায় ইঞ্জিন বোটে যাওয়া যায়। সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। ভাড়া ঘণ্টায় ৫৫০ থেকে ৮০০ টাকা।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্পিলওয়ে : চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট থেকে বাসযোগে কাপ্তাই যেতে হবে। কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) রিসিপশন গেট থেকে অনুমতি নিয়ে স্পিলওয়ে দেখতে যেতে হবে।           

কাপ্তাই লেক : নৌ-ভ্রমণের জন্য রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি ও পর্যটন ঘাটে ভাড়ায় স্পিডবোট ও নৌযান পাওয়া যায়। ভাড়া ঘণ্টাপ্রতি স্পিডবোট ১২০০-১৫০০ টাকা এবং দেশীয় নৌযান ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। 

পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু : রাঙামাটি শহরের তবলছড়ি হয়ে সড়কপথে সরাসরি পর্যটন কমপ্লেক্সে যাওয়া যায়। এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা রয়েছে। যারা ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে সার্ভিস বাসে করে আসবেন, তাদের তবলছড়িতে নেমে অটোরিকশা রিজার্ভ করে (ভাড়া আনুমানিক ৮০ থেকে ১০০) যেতে হবে।       

উপজাতীয় জাদুঘর : জাদুঘরটি সবার জন্য উন্মুক্ত।          

কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান : যাতায়াত ব্যবস্থা- রাঙামাটি থেকে জল ও স্থল উভয় পথেই কাপ্তাই যাওয়া যায় (সময় লাগে ১ থেকে ২ ঘণ্টা)। বাস, মাইক্রো, অটোরিকশা, ইঞ্জিনচালিত বোটে করে যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট থেকেও বাস বা মাইক্রোবাসে কাপ্তাই যাওয়া যায়। কাপ্তাই নতুন বাজারে যাওয়ার আগে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান গেটে নামতে হবে।            

পেদা টিংটিং : রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার, পর্যটন ঘাট এবং রাঙামাটির বিভিন্ন স্থান থেকে স্পিডবোট ও নৌযানে সহজেই যাওয়া যায়।    

টুকটুক ইকো ভিলেজ : রাঙামাটি শহর থেকে টুকটুক ইকো ভিলেজে যাওয়ার জন্য শহরের রিজার্ভ বাজারের শহীদ মিনার এলাকা থেকে রয়েছে নিজস্ব বোটের ব্যবস্থা। জনপ্রতি ভাড়া ২০ টাকা।           

যমচুক : রাঙামাটি জেলা সদর থেকে দেশীয় ইঞ্জিন বোটে খারিক্ষ্যং, ত্রিপুরাছড়া ও মাচ্চ্যাপাড়া হয়ে প্রায় ৪ ঘণ্টা হেঁটে যমচুক এলাকায় যাওয়া যায়। যমচুক এলাকা থেকে পুরো বন্দুকভাঙ্গা এলাকা অবলোকন করা যায়।

শ্রদ্ধেয় বনভান্তের জন্মস্থান মোরঘোনায় স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতি মন্দির (নির্মাণাধীন) : রাঙামাটি শহর থেকে রাঙামাটি-আসামবস্তি- কাপ্তাই সড়কে বড়াদম পর্যন্ত যে কোনো যানবাহনে যাওয়া যায়। 

পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুল : চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক ঘেঁষে ১ নং বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়নে পাহাড়িকা সিনেমা হলের ১০০ গজ সামনে যানবাহন থেকে নামামাত্রই পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলে যাওয়া যায়। 

রাঙামাটি ফুড প্রোডাক্টস : ১ নং বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ড ডাকবাংলো, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কের পাশ ঘেঁষে রাঙামাটি ফুড প্রোডাক্টস অবস্থিত। গাড়ি থেকে নেমেই মাত্র ১০ গজ সামনে। ইচ্ছে করলে ঘুরে আসতে পারবেন।          

রোইংখ্যং পুকুর : যাতায়াত ব্যবস্থা- ঢাকা থেকে শ্যামলী, মডার্ন ও এস. আলম বাসে করে কাপ্তাই এসে কাপ্তাই জেটিঘাটস্থ লঞ্চঘাট থেকে ইঞ্জিনবোটে বিলাইছড়ি যেতে হবে। বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে বিলাইছড়ি যাওয়া যায়। কেউ চট্টগ্রাম থেকে বিলাইছড়ি যেতে চাইলে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে প্রথমত কাপ্তাই জেটিঘাটে যাবেন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টায় রাঙামাটির তবলছড়ি ঘাট থেকে ইঞ্জিনবোট যাত্রী নিয়ে ১০টার মধ্যে বিলাইছড়ি পৌঁছে। ওই বোটটি আবার বিলাইছড়ি থেকে দুপুর ২টার মধ্যে রাঙামাটির উদ্দেশে ছাড়ে। এটি বিলাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত হলেও বিলাইছড়ি-ফারুয়া  হয়ে এখানে যোগাযোগ করা অত্যন্ত কষ্টকর। কেউ চাইলেও হাঁটা ছাড়া বিকল্প নেই। বিলাইছড়ি থেকে বড়থলি যেতে প্রায় ৭ দিন সময় লাগে। তাই এখানকার লোকজন বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা দিয়ে এখানে আসা-যাওয়া করেন।      

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য : রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক সংলগ্ন সাপছড়ি নামক জায়গায় রয়েছে স্মৃতি ভাস্কর্যটি। সদর উপজেলা থেকে অটোরিকশা এবং চট্টগ্রামগামী বিভিন্ন যানের মাধ্যমে সেখানে যাওয়া যায়। এখানে বিভিন্ন পর্যটক শীতকালে ভিড় জমায়।            

রাজবন বিহার : যাতায়াত ব্যবস্থা- টিটিসি রোড দিয়ে কিংবা রাঙামাটি জিমনেসিয়ামের পাশের রাস্তা দিয়ে অটোরিকশা কিংবা প্রাইভেট গাড়ি কিংবা অন্য কোনো মোটরযানে রাজবন বিহারে যাওয়া যায়। নৌপথে বিভিন্ন বোটযোগেও যাওয়া যায়।        

ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ী : যাতায়াত ব্যবস্থা-অটোরিকশা কিংবা প্রাইভেট গাড়িতে কে. কে. রায় সড়ক হয়ে হ্রদের পাশে যেতে হবে। অতঃপর নৌকাযোগে হ্রদ পার হয়ে রাজবাড়ীতে যাওয়া যাবে। কাপ্তাই হ্রদের মাধ্যমে নৌপথেও এ স্থানে যাওয়া যায়।          

উপজাতীয় টেক্সটাইল মার্কেট : যাতায়াত ব্যবস্থা- শহরের যে কোনো স্থান থেকে খুব সহজে যাওয়া যায়। অটোরিকশা বা প্রাইভেট গাড়ি ইত্যাদি যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহূত হতে পারে। দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়।   

রাঙামাটি ডিসি বাংলো : শহরের যে কোনো জায়গা থেকে অটোরিকশা বা প্রাইভেট গাড়ি বা নৌপথে রাঙামাটি ডিসি বাংলোতে যাওয়া যায়।  

ফুরমোন পাহাড় : শহর থেকে অটোরিকশা কিংবা অন্য কোনো মোটরগাড়িতে পাহাড়ের পাদস্থলে যাওয়া যাবে। পরে হেঁটে পাহাড়ে উঠতে হবে।      

রাঙামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়ক : রাঙামাটি থেকে কাপ্তাই যাওয়ার নতুন সড়ক এটি। অটোরিকশা কিংবা মাইক্রোবাসে যাওয়ার সময় এই সড়কের চারপাশের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে নিজস্ব বা ভাড়াগাড়িতে এই সড়ক দিয়ে রাঙামাটি যাওয়া যায়।

কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড : যাতায়াত ব্যবস্থা-রাঙামাটি থেকে জল ও স্থল উভয় পথেই কাপ্তাই যাওয়া যায় (সময় লাগে ১ থেকে ২ ঘণ্টা)। বাস, মাইক্রো, অটোরিকশা, ইঞ্জিনচালিত বোটযোগে যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট থেকেও বাস বা মাইক্রোযোগে কাপ্তাই ও চন্দ্রঘোনা যাওয়া যায়। এরপর চন্দ্রঘোনা পেপার মিল ১ নং গেটে যেতে হয়।

সাজেক ভ্যালি

সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরে মিজোরাম সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন। সাজেক হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন, যার আয়তন ৭০২ বর্গকিলোমিটার। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু উপজেলা, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা।

প্রায় আঠারোশ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়া যেন প্রকৃতির মিনার। এই চূড়ার চারপাশে ঘন সবুজ অরণ্যের ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি। সেই সারি সারি পাহাড়ের উপর উড়ছে কুয়াশার মতো ধূসর দুুধসাদা মেঘ। সেই মেঘের গা ছুঁয়ে আসা বাতাস শীতল পরশ বুলিয়ে দেয় সারা গায়ে।

এমন অনুভূতি হয়তো নৈসর্গিক। কিন্তু রাঙামাটির সাজেকে যারা একবার অন্তত গেছেন, তাদের কাছে এই অনুভূতি জাগতিকই। আকাশছোঁয়া আর গিরিখাদে নামার প্রতিযোগিতায় স্বপ্নিল পাহাড়ি সড়ক বেয়ে সাজেকে পৌঁছাতে যে রুদ্ধশ্বাস রোমাঞ্চকর অনুভূতি হবে, তা নিমিষে উবে যাবে চারপাশের মনোলোভা নৈসর্গিক দৃশ্য আর রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে গহিন অরণ্যবাসী পাহাড়ি কোমলমতি শিশু-কিশোরদের নির্মল হাসিতে কচিকচি হাতের নিষ্পাপ অভ্যর্থনায়।

অথচ বছর পাঁচ-সাতেক আগেও আড়ালে ছিল দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম উপজেলা প্রকৃতির রূপকন্যাখ্যাত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাজেক ভ্যালি। চরম দরিদ্রতায় জর্জরিত ছিল এখানকার আদিবাসীদের জীবনমান। খাদ্যাভাবেও মারা যেত কর্মহীন এ অঞ্চলে বসবাসকারী পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী। একসময় কমলা চাষের জন্য বিখ্যাত সাজেকের অবস্থান রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার একেবারে পূর্বে, ভারতের মিজোরাম সীমান্ত ঘেঁঁষে। মূলত কাচালং পাহাড়শ্রেণির মাঝামাঝি রুইলুইপাড়া আর কংলাকপাড়াকে ঘিরে গড়ে উঠেছে সাজেকের পর্যটন স্পট।

ঝুলন্ত সেতু

সংক্ষিপ্ত বিবরণ : রাঙামাটি শহরের শেষপ্রান্তে কর্ণফুলী হ্রদের কোল ঘেঁষে ১৯৮৬ সালে গড়ে ওঠে ‘পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স’। এখানে রয়েছে মনোরম ‘পর্যটন মোটেল’। উল্লেখ্য, পর্যটন মোটেল এলাকা ‘ডিয়ার পার্ক’ নামেই সমধিক পরিচিত। মোটেল এলাকা থেকে দৃশ্যমান হ্রদের বিস্তীর্ণ জলরাশি আর দূরের নীল উঁচু-নিচু পাহাড়ের সারি। এখানে তৈরি করেছে এক নৈসর্গিক আবহ। এখানেই রয়েছে ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ মনোহরা ঝুলন্ত সেতু, যা কমপ্লেক্সের গুরুত্ব ও আকর্ষণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ সেতু ইতোমধ্যে ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এছাড়া এখানে রয়েছে অডিটোরিয়াম, পার্ক, পিকনিক স্পট, স্পিডবোট ও দেশীয় নৌযান।

কাপ্তাইয়ের প্রশান্তি পিকনিক স্পট

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা। কাপ্তাইয়ের প্রতিটি স্থানেই রয়েছে পর্যটকদের মনভোলানো পর্যটন স্পট।

সবুজ পাহাড়, লেক, কর্ণফুলী নদীসহ আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করে সহজে। বাড়তি আকর্ষণ ও ভ্রমণপিপাসুদের বিনোদন দেওয়ার প্রয়াসে কাপ্তাইয়ের বালুরচর এলাকায় কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের গা ঘেঁষে নবরূপে নির্মিত হয়েছে আকর্ষণীয় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র প্রশান্তি পার্ক। কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত এই বিনোদন কেন্দ্র ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। কাপ্তাই-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একেবারে পাশে অবস্থিত হওয়ায় সড়কপথে যে কোনো সময় অতি সহজে প্রশান্তি পিকনিক স্পটে যাওয়া যায়। আবার কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত হওয়ায় নৌপথেও এ স্পটে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

অসংখ্য গাছগাছালির সমারোহে রয়েছে এই প্রশান্তি স্পট। এসব গাছের মগডালে লম্বা লেজওয়ালা কালোমুখী হনুমান প্রায় সময় দেখা যায়। এ-গাছ থেকে ও-গাছে বানরের দোলখাওয়া, এ-ডাল থেকে ও-ডালে লাফালাফি দেখা যাবে এখানে। এ ছাড়া হরেক রকম পাখির কলকাকলিতে মুখর থাকে চারদিক।

প্রশান্তি পিকনিক স্পটে সিমেন্টের তৈরি অনেক আকর্ষণীয় গোলঘর রয়েছে। এসব গোলঘরে বসার স্থায়ী ব্যবস্থাও আছে। প্রশান্তি পিকনিক স্পট সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে নৌ-ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকায় অনেক পর্যটক এখানে এসে নৌবিহারে বেরিয়ে পড়েন। আবার কর্ণফুলী নদীর মৃদু হাওয়ায় দুলতে দুলতে করতে পারেন কায়াকিং। রয়েছে কায়াকিং করার সুব্যবস্থা।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও গাছের ছায়ায় অবস্থিত প্রশান্তি পিকনিক স্পটে সারাক্ষণ ঠান্ডা পরশ অনুভূত হয়। গরমের সময় এখানে ভ্রমণ করলে প্রাকৃতিক হিমেল হাওয়ার ছোঁয়া পাওয়া যায়। এ স্পটের কাছ ঘেঁষে বয়ে যাওয়া কর্ণফুলী নদী পর্যটকদের সবসময় আকৃষ্ট করে। অদূরেই রয়েছে ঐতিহাসিক সীতাপাহাড়, যেখানে সীতাকে বনবাসে দেওয়া হয়েছিল। বনবাসে থেকে সীতা কর্ণফুলী নদীর যে ঘাটে এসে গোসল করতেন, সেই ঘাটটি এখন সবার কাছে সীতার ঘাট নামে পরিচিত। প্রশান্তি  পিকনিক স্পটে বিনোদনে এসে সীতার ঘাটে পা ফেলতে কার না মন চায়!

এ ছাড়া এই পিকনিক স্পটে আকর্ষণীয় দুটি কটেজ রয়েছে। এসব কটেজে রাতযাপনের সুযোগও রয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার জন্য রয়েছে কাঠের তৈরি মনোমুগ্ধকর মঞ্চ। পিকনিকে আসা লোকজন নেচে-গেয়ে হৈহুলোড় করে এই মঞ্চ মাতিয়ে রাখেন। এখানে একসঙ্গে পাঁচ হাজার লোক সমাগমের ব্যবস্থা রয়েছে।

বুকিং করার জন্য যোগাযোগ করা যাবে ০১৮২৯৬৬৭৩২৭ (মালিক নাছির উদ্দিন) ও ০১৮৭৯১৫৭৭২১ (ম্যানেজার মো. মাসুদ) নম্বরে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads