• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

ছবি: সংগৃহীত

জীবন ধারা

খাদ্যাভ্যাসে ক্যানসার প্রতিরোধ

  • প্রকাশিত ১৮ এপ্রিল ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সব ধরনের ক্যানসারের সঙ্গেই খাদ্যের একটা যোগ রয়েছে। ১৭টি দেশের ১৭০টি গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যতালিকা একটু পাল্টে নিলেই ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক কমে। ক্যানসার প্রতিরোধী বিভিন্ন খাবার প্রতিদিন কিছু পরিমাণে গ্রহণ করলে প্রাণঘাতী এ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে। জেনে নিন সেই খাদ্য তালিকা।

গাজর, হলুদ ও কমলা রঙের সবজিতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী বিটাক্যারোটিন, যা ক্যানসারের কোষ নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। টমেটো ও তরমুজে রয়েছে লাইকোপেন, যার পরিমাণ রক্তে কম হলে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে যায়। গাঢ় সবুজ শাকসবজিতে ক্যানসাররোধী বিটাক্যারোটিন, ফোলেট ও লিউটেইন থাকে। যে শাকসবজি যত সবুজ, তাতে তত বেশি উপাদান রয়েছে। বাঁধাকপি, ফুলকপি, শালগম অল্প সিদ্ধ করলে সবজির উপাদান ঠিক থাকে, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এই সবজি নিয়মিত গ্রহণে খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৭০ শতাংশ কমে।

সয়াবিনে ক্যানসাররোধী অন্তত পাঁচটি উপাদান রয়েছে। এসবের মধ্যে একটি উপাদানের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য স্তন ক্যানসারে ব্যবহূত ওষুধ টেমোড়িফেনের মতো। রসুন-পেঁয়াজ জাতীয় সবজিতে রয়েছে খাদ্যনালি, পাকস্থলী, ফুসফুস ও যকৃতের ক্যানসাররোধী কয়েকটি উপাদান। যারা প্রতিদিন কিছু না কিছু ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল খায়, তাদের অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক বা দুই-তৃতীয়াংশ কমে যায়। স্বল্প চর্বিযুক্ত দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, রিবোফ্যাবিন, ভিটামিন এ, সি, ডি প্রভৃতি উপাদান, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করে।

ভেষজ জাতীয় খাবারে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা ক্যানসারের কোষঝিল্লি তৈরি বন্ধ করতে কার্যকর। ভেষজ জাতীয় খাবার যেমন অশ্বগন্ধা, তুলসী, ত্রিফলা ইত্যাদি। তাই উপরে উল্লিখিত খাবার গ্রহণ করে আমরা ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে লাঘব করতে পারি।

-ফয়জুন্নেসা মণি

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads