• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

ছাত্রলীগের লোগো

রাজনীতি

ছাত্রলীগের সম্মেলন : আলোচনায় যারা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৯ এপ্রিল ২০১৮

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছে। সংগঠনটির শীর্ষ পদে কারা আসবে তা নিয়েও চলছে জল্পনা-কল্পনা । তবে আগামী ১১ ও ১২ মে অনুষ্ঠিতব্য ছাত্রলীগের সম্মেলন থেকে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।  

২০১৫ সালের ২৬ ও ২৭ জুলাই ছাত্রলীগের ২৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তখন সাইফুর রহমানকে সভাপতি ও এস এম জাকির হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। ছাত্রলীগের কমিটির মেয়াদ দুই বছর। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে এই কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার কথা ছিল।

মেয়াদপূর্তির ছয় মাসেও সম্মেলন না করায় গত ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগকে সম্মেলন করে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

অবশেষে ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি  সাইফুর রহমান সোহাগ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন যে আগামী ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এই তারিখ ঘোষণার পর ছাত্রলীগের পরবর্তী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পাওয়ার জন্য অনেকে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ছাত্রলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভাবমূর্তি যাদের ভালো তারাই এগিয়ে আছেন। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনাও আওয়ামী পরিবার ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি দেখে নেতৃত্ব বাছাই করা।

bcl photo

শেষ মুহুর্তের আলোচনায় যারা শীর্ষ পদের জন্য এগিয়ে তাদের মধ্যে বরিশাল অঞ্চল থেকে আছেন বর্তমান কমিটির ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক ইয়াজ আল রিয়াদ, কৃষি শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বরকত হোসেন হাওলাদার, আইন সম্পাদক আল-নাহিয়ান খান জয় ও সহ-সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম সোহাগ।

ফরিদপুর অঞ্চল থেকে রয়েছেন শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, কর্মসূচী ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিব হোসাইন, কবি জসীম উদ্দিন হলের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান ও স্যার এএফ রহমান হলের সভাপতি হাফিজুর রহমান।

চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে এগিয়ে আছেন প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শামীম, উপ-স্কুলছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খাজা খায়ের সুজন ও মুহসীন হলের সভাপতি সরকার রায়হান জহির।

উত্তরবঙ্গ থেকে আলোচনায় আছেন উপ আইন সম্পাদক হোসাইন সাদ্দাম, নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক উপ সম্পাদক কামরুজ্জামান বিশ্বাস জিপু ও মুহসীন হলের সাধারণ সম্পাদক মাহেদী হাসান সানী।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্সও আলোচনায় আছেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads