• শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
নানা আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগ লোগো

সংরক্ষিত ছবি

রাজনীতি

নানা আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে আওয়ামী লীগ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৩ জুন ২০১৮

নানা আয়োজনে আজ শনিবার প্রতিষ্ঠার ৬৯তম বার্ষিকী উদযাপন করছে দেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ।

সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শুরু হবে এই কর্মসূচি।

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল শুক্রবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং পায়রা ও বেলুন ওড়ানো শেষে দলের প্রধান কার্যালয়ের নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বেলা ১১টায় তিনি দলের নেতাদের নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভায় অংশ নেবেন।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে এই বর্ধিত সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দেশের বিভিন্ন মহানগরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সারা দেশের জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা মিলিয়ে ৪ হাজার ১৫৭ জন নেতা উপস্থিত থাকবেন।

দলীয় টিকেটে নির্বাচিত সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভায় দল মনোনীত মেয়র ও চেয়ারম্যান এবং দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরাও থাকবেন তাদের মধ্যে।

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ৬৯ বছরে সাফল্যের পাশাপাশি অতৃপ্তি আছে কি না জানতে চাইলে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সব সাফল্যের গাথা ভরপুর হয় না, সব কীর্তির কীর্তিগাথা ভরপুর হয় না। জোয়ার-ভাটা আছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাসেও জোয়ার-ভাটা আছে।’

ভারতবর্ষ ভাগের দুই বছর পর মুসলিম লীগের প্রগতিশীল একটি অংশের উদ্যোগে বাঙালি জাতির মুক্তির লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে এ দলের আত্মপ্রকাশ ঘটে; প্রায় দুই যুগ পর এ দলের নেতৃত্বেই স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।

প্রতিষ্ঠাকালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী দলটির সভাপতি, শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন।

আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে যাত্রা শুরু করলেও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ১৯৫৫ সালে কাউন্সিলে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নতুন নাম হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। স্বাধীনতার পর ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নাম নেয় দলটি।

দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads