• রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads

খেলা

ড্র করে সেমিতে বায়ার্ন

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৩ এপ্রিল ২০১৮

ইউরোপের ফুটবলে গত এক সপ্তাহ বেশ নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে কাটে। ম্যানচেস্টার সিটি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে হারে। বিদায় নেয় চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে। আর বার্সেলোনা বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও রোমার মাঠে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে। জুভেন্টাস আর রিয়াল মাদ্রিদের ম্যাচও ছিল নাটকীয়তায় পূর্ণ। তবে একেবারে ব্যতিক্রম সেভিয়া ও বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথম লেগে স্পেনের মাটিতে বায়ার্ন জয় পায় ২-১ গোলে। দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে। তাতে নিশ্চিন্তে সেমিফাইনালের টিকেট পায় জার্মান জায়ান্টরা।

সেমিফাইনালে যেতে বায়ার্নের মাঠে কমপক্ষে দুই গোল করতে হতো সেভিয়াকে। কিন্তু পুরো ম্যাচে লক্ষ্যে একটি শটও নিতে পারেনি তারা। ফলে শেষ চারে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়নি ক্লাবটির। সেই সঙ্গে ২০১০ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে মাত্র একটি স্প্যানিশ দল জায়গা করে নেয়। গত সাতটি বছর শেষ চারে কমপক্ষে দুটি ক্লাব স্পেনের প্রতিনিধিত্ব করেছিল।

এবার সেমিফাইনালে স্পেনের একমাত্র ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। ইংলিশ লিগের প্রতিনিধি লিভারপুল। আছে ইতালিয়ান ক্লাব রোমা। তাদের সঙ্গে যোগ দিল জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। এই নিয়ে ১১ বারের মতো শেষ চারে খেলার টিকেট নিশ্চিত করে বায়ার্ন। তাদের চেয়ে এগিয়ে শুধু রিয়াল মাদ্রিদ। ১২ বারের চ্যাম্পিয়নরা সেমিফাইনাল পর্যন্ত খেলে ১৩ বার।

অ্যালিয়াঞ্জ এরিনায় বায়ার্নের রেকর্ড বেশ ভালো। চলতি মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ২০ ম্যাচ অপরাজিত। এর মধ্যে ১৭টি জয় ও তিনটি ড্র। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচটি লিগের মধ্যে একমাত্র বায়ার্ন এবার ঘরের মাটিতে কোনো ম্যাচে হারেনি।

কয়েক দিন আগে বুন্দেসলিগার শিরোপাও ঘরে তোলে বায়ার্ন। ঘরের মাঠে তারা হামবুর্গ ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মতো দলকে হারায় ৬-০ গোলের ব্যবধানে। সেই দলটিকে এবার থামিয়ে দিল সেভিয়া। চ্যাম্পিয়নস লিগে জার্মানদের টানা ২১ ম্যাচ জয়ের ধারায় ছেদ পড়ে। আর ২০১৪ সালের এপ্রিলের পর প্রথমবারের মতো নিজেদের মাটিতে গোল করতে ব্যর্থ হয় বায়ার্ন।

গত ২২টি চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে অ্যালিয়াঞ্জ এরিনায় দ্বিতীয় দল হিসেবে হার এড়াল সেভিয়া। গত বছর কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদকেও হারাতে পারেনি বায়ার্ন।

বুধবার মাঠের লড়াইয়ে বল দখলে সমানে সমান ছিল দু’দল। তবে আক্রমণে বায়ার্ন এগিয়ে ছিল। সব মিলিয়ে ১৬টি শট নেয়। এর মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ছয়টি। তবে গোলের দেখা পায়নি।

এই ম্যাচে একমাত্র আলোচিত বিষয় লাল কার্ড। ম্যাচের ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে জাভি মার্টিনেজকে ফাউল করায় কোরেয়াকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। তাতে ১০ জনের দল নিয়ে খেলা শেষ করে সফরকারীরা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads