Logo

শিল্প-সংস্কৃতি

রোববার মেলায় নতুন ১০৪ বই এসেছে

Icon

বাসস

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২৩:২৬

অ
রোববার মেলায় নতুন ১০৪ বই এসেছে

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ এর ১৬তম দিনে (রোববার) নতুন বই এসেছে ১০৪টি। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমির জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক নার্গিস সানজিদা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।  

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে আজকের বইমেলা। বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘জহির রায়হানের সাহিত্যকর্মে ঐতিহাসিক ঘটনার বিচার’ শীর্ষক আলোচনা।

আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহুল আহমদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মশিউল আলম ও আহমাদ মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাহবুব হাসান।

সহুল আহমদ বলেন, জহির রায়হান একাত্তরের বৈপ্লবিক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের পুরো ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করেছেন। সেই উত্তাল সময়ে তিনি বহুমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। একদিকে তিনি ঘটনার জন্ম দিচ্ছিলেন, অন্যদিকে ঘটনার বিবরণ বা বয়ান তৈরির কাজে লিপ্ত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানের বাসিন্দাদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যে জেনোসাইড শুরু করেছিল, তার প্রতিবাদেই তিনি নির্মাণ করেছিলেন ‘স্টপ জেনোসাইড’ নামে প্রামাণ্যচিত্র। জহির রায়হান একাত্তরের ঘটনা প্রবাহকে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে স্থাপন করেছিলেন। তিনি বিবেচনা করেছিলেন, তামাম দুনিয়াতে যে ধরনের আন্দোলন চলছে একাত্তর তারই অংশ।

সভাপতির বক্তব্যে মাহবুব হাসান বলেন, বিপুল সম্ভাবনা ও প্রতিভার অধিকারী ছিলেন জহির রায়হান। তার সকল কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের আকাঙ্খাই প্রতিফলিত হয়েছে। তার সৃজনকর্ম গভীরভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা নানাভাবে লাভবান হতে পারি।

মেলায় আজ ‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কবি ও গবেষক সুমন সাজ্জাদ এবং শিশু সাহিত্যিক শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী আজহারুল ইসলাম রনি ও ডা. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

রোববার ছিল মো. আবুজার গিফারীর পরিচালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শিল্পতরী’ ও মোবাস শিরীন মোস্তফার পরিচালনায় ‘বেণুকা ললিতকলা কেন্দ্র’-এর পরিবেশনা।

সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী দেবিকা রানী পাল, জাহিন খান নেজাম, আনিলা আমীর লামী, সুমন চন্দ্র দাস, মো. টিপু চৌধুরী, মিতালী সরকার ও ডালিয়া সুলতানা।

  • ওএফ
Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন