Logo

ক্যাম্পাস

শুক্র ও শনিবারে বাস বাড়ানোর দাবি কুবি শিক্ষার্থীদের

Icon

কুবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৯:৪৩

অ
শুক্র ও শনিবারে বাস বাড়ানোর দাবি কুবি শিক্ষার্থীদের

শনিবার শহরের উদ্দেশে দুইটি বাস ছাড়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীরা তা আটকে দেন। ছবি : বাংলাদেশের খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শুক্র ও শনিবারে বাস সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। টিউশন ও নানা জরুরি প্রয়োজনে শহরে যেতে গিয়ে বাসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে শত শত শিক্ষার্থীকে। দুপুর ৩টার বাসে ওঠার জন্য শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করলেও জায়গার অভাবে বাসে উঠতে পারেননি অনেকেই। ভেতরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেকে, ঝুলে ছিলেন বাসের দরজায়। 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্যমতে, কুবির নিজস্ব বাস রয়েছে ৮টি এবং ভাড়ায় চালিত বিআরটিসির বাস আরও ৮টি। সব মিলিয়ে সিট সংখ্যা প্রায় ৭৫০টি। মোট শিক্ষার্থী ও বাসের হিসাব অনুযায়ী, ৩৭১ শিক্ষার্থীর জন্য একটি বাস এবং ৮ শিক্ষার্থীর জন্য একটি সিট বরাদ্দ। ফলে বাস সংকট প্রতিদিনের নৈমিত্তিক ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় শহরের উদ্দেশে দুইটি বাস ছাড়ার কথা থাকলেও জায়গার সংকটে শিক্ষার্থীরা বাস আটকে দেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরেকটি বাস বাড়ানো হলে দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটে বাসগুলো শহরের দিকে রওনা দেয়।

লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী রাসেল মিয়া বলেন, ‘প্রশাসনকে বারবার বাস সংকটের কথা বলেছি। গুরুত্ব দেয়নি বলেই আজ বাস আটকে দিতে হয়েছে। শত শত শিক্ষার্থী টিউশনসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজে যেতে পারেনি।’

ইংরেজি বিভাগের একই সেশনের শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম জয় বলেন, ‘শুক্র ও শনিবার বাস চালুর সিদ্ধান্ত যদি শিক্ষার্থীবান্ধব হয়, তাহলে এ সংকট কেন? প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে আমাদের ঝুঁকি নিয়ে দরজায় ঝুলে শহরে যেতে হচ্ছে। কোনো দুর্ঘটনা হলে তার দায় কে নেবে?’

বাস সংকট নিয়ে জানতে চাইলে পরিবহন পুলের সেকশন অফিসার আতিকুর রহমান বাংলাদেশের খবরকে বলেন, ‘সমস্যা দেখা দেওয়ায় আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আগামীকালই এক-দুটা বাস বাড়ানোর জন্য জানাব।’

পরিবহন পুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রেজিস্ট্রার মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ফোন করে জানিয়েছে বাসে জায়গা নেই। পরে আরেকটি বাস বাড়ানো হয়। তবে বাস সংখ্যা বাড়াতে ভিসি স্যারের অনুমোদন প্রয়োজন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরাও চাই শিক্ষার্থীদের সুবিধা দিতে। তবে আমাদের সক্ষমতাও সীমিত।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এমএইচএস

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন