Logo

ক্যাম্পাস

মার্চ টু যমুনা

জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৫, ১৪:১৭

অ
জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

আবাসন ভাতা ও পূর্ণাঙ্গ বাজেটসহ তিন দফা দাবিতে যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘লংমার্চ’ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ।

এতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।বুধবার (১৪ মে) দুপুর পৌনে ১টার দিকে রাজধানীর কাকরাইল মসজিদ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে, বেলা পৌনে ১২টার দিকে ক্যাম্পাস থেকে যাত্রা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তারা কাকরাইল মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ প্রথমে বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় জবির সহকারী প্রক্টরসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এর মধ্যে ১০ জনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। তারা সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থী তাওহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের ট্যাক্সের টাকায় যে পুলিশ বেতন পায়, সেই পুলিশ আমাদের ওপর গুলি চালিয়েছে, গ্রেনেড হামলা করেছে। আমরা জুলাই থেকে মুক্ত হতে পারিনি। এখনও সেই জুলাই চলছে, চলবে।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রইস উদ্দিন। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপিকে এর জবাব দিতে হবে। না হলে আমরা রাস্তা ছাড়ছি না। প্রয়োজনে লাশ যাবে, আমরা যাব না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড.তাজাম্মুল হক বলেন, আমার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে। আমার সহকারী প্রক্টরের ওপর পুলিশ আঘাত করেছে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনে পুলিশ অমানবিক আচারণ করেছে। এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে যাওয়া হবে না।

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি
১. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি কার্যকর করতে হবে।

২. ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন করতে হবে।

৩. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

  • জেএন/এটিআর
Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন