Logo

ক্যাম্পাস

ধর্ম অবমাননার বিচারে নতুন আইন বাস্তবায়নের দাবি জবি শিক্ষার্থীদের

Icon

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৩৪

ধর্ম অবমাননার বিচারে নতুন আইন বাস্তবায়নের দাবি জবি শিক্ষার্থীদের

ছবি : বাংলাদেশের খবর

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অপূর্বর বিরুদ্ধে মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননার ঘটনার প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েই বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ধর্ম অবমাননার বিচারে সরকারের নিকট নতুন আইন বাস্তবায়নের দাবি করেন। 

সোমবার (৬ অক্টোবর) যোহরের নামাজ শেষে মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মিছিলটি শেষ হয়। 

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী বায়তুল হক বলেন, ইসলাম আমাদের আবেগের জায়গা। এখানে কেউ আঘাত করলে আমরা চুপ করব না। কুরআন শরীফ ও নবীজীর অবমাননা আমরা মেনে নিব না। সেই অপমানের যথোচিত জবাব দেবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

শাখা ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জায়েদ বলেন, কুরআন অবমাননা করা মানে আল্লাহকে অবমাননা করা। এটা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষাত্মক আচরণ। আমাদের দাবি— কুরআনকে যারা অবমাননা করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং এই অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হোক। 

শাখা ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, শেখ হাসিনা তার বাপের হত্যাকারীদের আজীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন, কিন্তু আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)কে অপমান করার শাস্তি সংক্রান্ত কোনো আইন এখনও নেই। ইন্টারিম সরকার এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখলে ভালো হতো। ৯০ শতাংশ মুসলমানের আকাঙ্ক্ষা অনুধাবন করে আমরা ইন্টারিম সরকারকে বলব— ব্লাসফেমি আইন প্রণয়ন করুন; ধর্ম অবমাননার শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার মতো নজির স্থাপন করুন যাতে কেউ আর এই দুঃসাহস না করে।

বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী অংশ নেন।

জেএন/এমএইচএস 

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন