নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কুবি কর্মচারীদের বিক্ষোভ
কুবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৫০
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে বৈষম্য ও প্রহসনের প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল পালন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ১১ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা। বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বানে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা, ‘ভাত দে, কাপড় দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘নবম পে-স্কেল দিতে হবে, দিতে হবে’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, পে কমিশন কবর দে’, ‘এই লড়াইয়ে জিতবে কারা, মেহনতি কর্মচারীরা’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
কুবি কর্মচারী রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখেছি যখন ২০১৮ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে, সেই পে স্কেলের মধ্যে অনেক বৈষম্য ছিল। কর্মচারীরা বৈষম্য দূর করার জন্য বছরের পর বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। কর্মচারীদের ওই আন্দোলনের ফলাফল হলো নবম পে স্কেল। কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে আমাদের অন্তবর্তীকালীন সরকার একটি পে স্কেল কমিশন গঠন করে। ওই পে কমিশন গঠন করার পরেও নানা কালক্ষেপণ করার পর দেখা গেল এখনো ওই বৈষম্যে দূর হয় নাই বরং বৈষম্য আরো বেড়েছে।’
চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিজেদের ন্যায্য ভাতের দাবিতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে- এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমরা কোনো রাজনৈতিক কর্মী নই, আমরা সাধারণ কর্মচারী। তবুও ন্যায্য অধিকার আদায়ে আজ আমাদের কর্মস্থল ছেড়ে আন্দোলনে নামতে হয়েছে, যা সত্যিই দুঃখজনক।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি এ কে এম কামরুল হাসান বলেন, ‘এই লড়াই একক কোনো কর্মচারীর নয়, এটি সবার। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি দপ্তরের কর্মচারীদের এই আন্দোলনে অংশ নিতে হবে। প্রশাসন যদি কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেয়, তবে কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
নুরুল হাকিম বাপ্পী/এসএসকে/

