ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনে হামলা ও গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে গকসুর নিন্দা
ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৫৫
শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন ছাত্র সংসদের নেতাদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু)।
আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ৭ টার দিকে গকসু সহ-সভাপতি ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান সাধারণ সম্পাদক মো. রায়হান খান ও স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গকসুর পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃবৃন্দের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা ও গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হন। এ ছাড়া ফাতেমা তাসনিম জুমা (মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক, ডাকসু), শান্তা আক্তার (সদস্য, জকসু), সালাউদ্দীন আম্মার (জিএস, রাকসু)–সহ শতাধিক শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়েছে। শুধু তা–ই নয়, বিচারের দাবিতে সোচ্চার সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ফ্যাসিবাদী কায়দায় পুলিশি হামলা ও গুলিবর্ষণ চালানো হয়েছে। গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এই কাপুরুষোচিত ও স্বৈরাচারী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
গকসু নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, কার মদদে এবং কার নির্দেশে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হলো? ওসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবিকে বর্তমান প্রশাসন কেন এত ভয় পাচ্ছে? ন্যায়বিচারকে এভাবে গলা টিপে হত্যা করার অপচেষ্টা কারা করছে-অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই তার জবাব দিতে হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে গকসুর দাবি ও অবস্থান তুলে ধরে বলা হয়, অবিলম্বে হামলার নির্দেশদাতা ও জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদী হত্যার বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে হবে এবং আহত সব শিক্ষার্থীর সুচিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
গকসুর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের জুলুম ও অপপ্রচার বন্ধ না হলে তারা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। ন্যায়ের পক্ষে এবং সব ধরনের অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে রাজপথে নেমে কঠোর আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

