মুক্তাগাছায় সবুজায়নে বাকৃবি রোভার স্কাউট, রোপণ-বিতরণ ৮ হাজার বৃক্ষ
জয় মন্ডল, বাকৃবি সংবাদদাতা:
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৩৪
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বাড়াতে ৭ হাজার তালবীজ এবং বিভিন্ন জাতের ১ হাজার বৃক্ষের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে। লক্ষীপুর হাই স্কুল স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) রোভার স্কাউট ও ময়মনসিংহ জেলা রোভারের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মুক্তাগাছার হরিরপুর দেওলী এলাকার লক্ষীপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘লাগাব বৃক্ষ, সাজাব দেশ, সবুজে ঢাকবে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, সড়কের পাশসহ বিভিন্ন স্থানে তালবীজ ও বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা বিতরণ করা হয়।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্মল ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রায় ৫০০ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় তালবীজ ও বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ এবং বিতরণে অংশ নেন। এ সময় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজের রোভার স্কাউটের সদস্যরাও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ নেন।
মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুপ্রেরণায় কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত থেকে আয়োজকদের সহযোগিতা করেন। এ সময় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম, লক্ষীপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে পরিবেশ রক্ষার কাজে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ বাংলাদেশ স্কাউটস, ময়মনসিংহ জেলা রোভার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হাই স্কুল স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় দিনব্যাপী একটি সেবামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ওই কর্মসূচিতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষকে বিভিন্ন সেবা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল চিকিৎসাসেবা, চক্ষু পরীক্ষা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, গর্ভবতী মা ও শিশুর চিকিৎসা, পশু চিকিৎসা, মৎস্য চিকিৎসা এবং কৃষিবিষয়ক সেবা।
বাংলাদেশেরখবর/আরকে

