Logo

ক্যাম্পাস

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনশনে বসে পড়লেন জবি উপাচার্য

Icon

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৫, ২০:০৩

অ
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনশনে বসে পড়লেন জবি উপাচার্য

ছবি : বাংলাদেশের খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে অনশনে বসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর ও অস্থায়ী আবাসনসহ ৩ দাবিতে গণঅনশন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। 

রোববার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে অনশনে বসেন তিনি।

একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন, অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন অনশনে বসেন। 

এর আগে, সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ৩ দাবিতে অনশন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবিগুলো হলো- সেনাবাহিনীর কাছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হস্তান্তরের চুক্তি অনতিবিলম্বে স্বাক্ষর করতে হবে; পুরান ঢাকার বাণী ভবন ও ড. হাবিবুর রহমান হলের স্টিল বেইজড ভবনের কাজ দ্রুত শুরু এবং শেষ করতে হবে; যতদিন অব্দি আবাসন ব্যবস্থা না হয় ততদিন পর্যন্ত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসন ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, ‘আমরা ৩ দাবিতে গণঅনশনে বসেছি। দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের জন্য যে বড় একটা আন্দোলন হলো এবং সেখানে মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাইলে কাজ সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর করতে পারে। কিন্তু আমরা দেখতে পাই প্রশাসনের এ ব্যাপারে কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তাই আমরা গণঅনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।’

শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘তোমরা যে দাবিদাওয়া তোমরা করছ, সেই দাবি আমারও। এ ব্যাপারে আজ মন্ত্রণালয়ে চিঠি গেছে। আমরা আজ সারাদিন তোমাদের খোঁজ রাখছি। প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখছি। আমরা আমাদের এ আন্দোলনের ফলাফল পাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। আমরা কথা দিচ্ছি, তোমাদের দাবি অনুযায়ী কাজ করব। ছাত্র প্রতিনিধি নিয়ে একটা কমিটি গঠন করে সব বিষয় জানাব। সিদ্ধান্ত নেব।’

জান্নাতুন নাইম/এমজে/ওএফ

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন