জবির দ্বিতীয় ক্যম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর, রবিবার পরিদর্শন
জবি প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ১৭:৩৫
ছবি : বাংলাদেশের খবর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে মৌখিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শেষ হবে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই আগামী রবিবার ক্যম্পাস পরিদর্শন করবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ইউজিসি ও সেনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভার পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের প্রথম ফেইজের কাজ চলমান। কাজটি কীভাবে নেবেন সেটা তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করবে। একইসঙ্গে কাজের অগ্রগতি পর্যালচনা করে একটি রোডম্যাপ তৈরি করবে।’
তিনি জানান, কোন কাজ কোন অবস্থায় তার তথ্য বিবেচনায় নিয়ে অসঙ্গতি চিহ্নিত কিরে রিভাইজড ডিপিপি প্রস্তুত করা হবে।
রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের বাণী ভবন ও শহীদ হাবিবুর রহমান হলের স্টিল স্ট্রাকচার ভবন নির্মাণের কাজের বিষয়েও আমরা তাদের অনুরোধ করেছিলাম। তারা কাজটি করারও প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন। তারা সাইটটিও ভিজিট করবেন। এটাও আমাদের জন্য অনেক বড় একটি সাফল্য।’
শিক্ষার্থীদের শাটডাউন প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের পুরো কৃতিত্ব দিতে চাই। পাশাপাশি সরকার যেভাবে আমাদের সমস্যা সমাধানে নজর দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছে সে ব্যাপারেও আমরা কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের শাটডাউন তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এটা তুলে নিলে সবাই উপকৃত হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর দ্বারাই হবে।’
মন্ত্রণালয়ের সভার লিখিত আসার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এরকম বহুমুখী সভার রেজ্যুলিউশন দিতে সময় লাগে। উনারা খুবই দ্রুত কাজটা করবে। এ ছাড়া সম্ভাব্য সময় রোববার সেনা প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ভিজিটে যেতে পারে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, দ্বিতীয় ক্যম্পাসের দুটো ফেইজের কাজের মধ্যে প্রথম ফেইজের কাজের মধ্যে যেগুলো চলমান ও যেসব কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি, সব কাজের বিষয়ে একটি রিভাইজ ডিপিপি (আরডিপিপি) করে কাজ শুরু করবেন। আর দ্বিতীয় ফেইজের কাজের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অনুমতি পেলে সেটাও তারা সম্পন্ন করবেন বলে জানান উপাচার্য।
জান্নাতুন নাইম/এমজে

