Logo

ক্যাম্পাস

ইবিতে শ্রেণিকক্ষ আদায়ে আন্দোলন

Icon

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫:৪৯

অ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শারীরিক শিক্ষা এবং ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শ্রেণিকক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হলেও তা বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভিন্ন ভিন্ন ভবন ও শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করতে হয় তাদের। কখনো আবার মাঠের ঘাসে বসে ক্লাস নেওয়া হয় বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের বরাদ্দকৃত শ্রেণিকক্ষ আদায়ের দাবিতে আন্দোলন করছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা, ‘অন্য বিভাগ যখন স্বর্গে, স্পোর্টস সাইন্স কেন মর্গে’, ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মানতে হবে’, ‘সবার নাই ক্লাসরুম, ইবি প্রশাসন দিচ্ছে ঘুম’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

পরে দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও প্রক্টর অধ্যাপক অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান। এ সময় তাদেরকে আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্দোলন চলমান রাখেন তারা। 

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের কক্ষ পুনর্বণ্টনের বিষয়ে ৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যকে আহ্বায়ক ও ভিসি অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ শিবলীকে সদস্যসচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও সামাজিক বিজ্ঞন অনুষদের ডিন।

দুপুর ১টার দিকে বিভাগটির সভাপতি শরফরাজ নওয়াজ শিক্ষার্থীদের উপাচার্যের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামমে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে বিভাগে ৩টি ব্যাচ চলমান রয়েছে। গত ৮ অক্টোবর অনুষদ ভবনের তৃতীয় তলার ৩০১, ৩০২, ৩৩৭, ৩৩৭ (ক), ৩৩৮, ৩৩৯, ৩৪০, ৩৪২, ৩৪৩, ৩৪৪ নং কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয় শারীরিক শিক্ষা বিভাগকে। বরাদ্দের তিনমাস পেরিয়ে গেলেও কক্ষ বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বিভাগটিকে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘গত ৩ মাস দরে প্রশাসন টালবাহানা করছে। আমার সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ চাই। আমরা ক্লাসরুমে ফিরতে চাই।’

বিভাগের শিক্ষার্থী আবু জাফর বলেন, ‘আমরা আজকের মধ্যে বরাদ্দকৃত কক্ষ বুঝে পেতে চাই। এতে যদি বিলম্ব হলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব।’

মাসুম শাহরিয়ার/এমজে/এনজে 

Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন