জাবিতে শিক্ষার্থীদের টিফিনের টাকায় পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২২:২১
ছবি : বাংলাদেশের খবর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সেচ্ছাসেবী সংগঠন লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ জাবি টিমের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেইট) থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে তা কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, নতুন কলা অনুষদ হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
৯ ফেব্রুয়ারি থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ১০ দিন ব্যাপী ক্যাম্পাস ক্লিনিং প্রজেক্টের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ নবম দিনে এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
লাল সবুজের ১০ দিন ব্যাপী ক্যাম্পাস ক্লিনিং প্রজেক্ট নিয়ে সংগঠনটির জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় টিমের সভাপতি এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫০ ব্যাচের শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন আয়ান বলেন, ‘লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ সদস্যদের টিফিনের টাকায় পরিচালিত একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। প্রতিবছরের মতো এবারও ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমাদের ১০ দিন ব্যাপী ক্যাম্পাস ক্লিনিং কর্মসূচি অব্যাহত আছে। ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ভর্তি পরীক্ষার সময়ে প্রচুর শিক্ষার্থী ও অভিবাকদের সমাগমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ ময়লা আবর্জনায় ভরে যায় তাই পরিচ্ছন্ন জাহাঙ্গীরনগর গড়তেই আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্র-শিক্ষক- কর্মকর্তা কর্মচারী সবাই মিলেই আমরা ক্লিন ক্যাম্পাস গড়তে চাই। পরিবেশ সুরক্ষা ও ময়লা আবর্জনা রোধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের ব্যানার ফেস্টুন লাগানো এবং লিফলেট বিতরণ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাদি, ইমন, ইব্রাহিম, সাদিয়া, বৃষ্টি, ফয়সাল, রিফাত, রাব্বি, ইয়াসিনসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সংগঠনটি নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য বিভিন্ন জেলা সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলোর ভর্তি সহায়তা কেন্দ্রে সচেতনতামূলক লিফলেট ও ময়লা ফেলার ঝুড়ি বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পরিচ্ছন্ন জাহাঙ্গীরনগর গড়তে ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়।
আমানউল্লাহ খান/এমআই

