গ্রিন ইউনিভার্সিটির ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৩:১৭
উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে দিনব্যাপী সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.এস এম এ ফায়েজ।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইলিনয়স স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিসটিংগুইসড প্রফেসর ও অন্তবর্তীকালীন সরকারের সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. আলী রীয়াজ।
বক্তব্য দেন, গ্রিন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ। সমাবর্তনে ৪ হাজার ১২৯ জন গ্রাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৫ জনকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল এবং ১০ জনকে ভাইস-চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল দেওয়া হয়।
সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘সাম্প্রতিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সমাজের প্রতি শিক্ষার্থীদের দায়বদ্ধতা বেড়ে গেছে। যারা পরিবর্তনের সামর্থ্য রাখে, তারা গড়তেও পারে। ইতিবাচক দিকে এই সমাজকে চালিত করা, ঘুণে ধরা কাঠামোকে পুনর্নির্মাণ করা এবং ন্যায়ভিত্তিক সুষম সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’
অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, ‘সমাবর্তনের মাধ্যমে শুধু গ্রাজুয়েশন পর্বের সমাপ্তির ঘটছে না, বরং আজ থেকে জীবনের আরও একটি পর্বের সূচনা হচ্ছে। আর তা হলো ব্যবহারিক জীবন, নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়া ও নিজের অবস্থান তৈরি করার জীবন। গ্রিন ইউনিভার্সিটির প্রত্যেক গ্রাজুয়েটকে সেই চ্যালেঞ্জে মোকাবিলায় এগিয়ে আসতে হবে।’
মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গ্রাজুয়েটদের ভবিষ্যৎ যেমন অফুরন্ত সম্ভাবনার; তেমনি অনেক বাধা-বিপত্তিরও। তবে আমাদের বিশ্বাস- গ্রিন ইউনিভার্সিটি থেকে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধ তোমাদের ভবিষ্যতের ভিত্তি হয়ে থাকবে।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘আগামীর বিশ্ব গতিশীল ও বহুমাত্রিক; যেখানে চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি রয়েছে অসীম সুযোগ ও সম্ভাবনা। সাইবার প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি, ৫-জি শিল্পবিপ্লব, হাইটেক যোগাযোগ ব্যবস্থার উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চ্যাট জিপিটির মতো বিষয়গুলো খাপ খাইয়ে নিয়ে আগামীতে এগিয়ে যেতে হবে।’
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের এম গ্র্যাজুয়েট হতে হবে, যারা গর্বের সঙ্গে দেশকে সারাবিশ্বে প্রতিনিধিত্ব করবে।’
এমজে

